ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যানজট নিরসনে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার অভিযান, নম্বর প্লেটবিহীন ১৪০ অবৈধ টমটম আটক Logo মাধবপুরে বসতঘরে চুরি, নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ Logo মাদক কেনাবেচার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড, সংসদে বিল পাস Logo পাহাড়ি ঢলে বিলীনের পথে সাতছড়ির ত্রিপুরা পল্লী, ঝুঁকিতে ২৪ পরিবার Logo ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চে অবাক নেটদুনিয়া Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ড্রোনে ত্রাণ বিতরণ Logo মাধবপুরে ডিবির অভিযানে ৩৬টি চোরাই মোবাইল উদ্ধার, আটক ১ Logo হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের বেসরকারি কারা পরিদর্শক হলেন সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম কহিনুর Logo মাধবপুরে কিশোর-কিশোরী ক্লাব প্রকল্পের সিএমসি সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে বুল্লা সিংহগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চে অবাক নেটদুনিয়া

গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখে সার্চ দিলে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচের তথ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী সার্চ ফলাফলের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এটি গুগলের কোনো আনুষ্ঠানিক নামকরণ বা অবস্থান নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনা দলকে ব্যঙ্গ করে ‘চোরের দল’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে অসংখ্য পোস্ট, ভিডিও, মিম ও ক্যাপশন প্রকাশিত হয়েছে। গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম অনলাইনে প্রচলিত কী-ওয়ার্ড ও কনটেন্টের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। ফলে ওই শব্দবন্ধের সঙ্গে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

এ আলোচনার পেছনে রয়েছে ১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে। ম্যাচের প্রথম গোলটি দিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে করেছিলেন, যা পরে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। রেফারির চোখ এড়িয়ে করা সেই গোল বৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

তবে একই ম্যাচে ম্যারাডোনা প্রায় অর্ধেক মাঠ একাই ড্রিবল করে আরেকটি অসাধারণ গোল করেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে স্বীকৃতি পায়।

ফুটবল সমর্থকদের একাংশের মতে, ১৯৮৬ সালের সেই বিতর্কিত গোলের স্মৃতি থেকেই প্রতিপক্ষ সমর্থকদের কেউ কেউ আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করে ‘চোরের দল’সহ বিভিন্ন নামে উল্লেখ করে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ট্রোল, মিম ও পোস্টের সংখ্যা বাড়ায় ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুগলের সার্চ ফলাফল ব্যবহারকারীদের অনুসন্ধান প্রবণতা, জনপ্রিয় কী-ওয়ার্ড এবং অনলাইনে থাকা বিভিন্ন কনটেন্টের ভিত্তিতে তৈরি হয়। তাই কোনো সার্চ ফলাফলে একটি দল বা বিষয় উঠে আসা মানেই গুগলের পক্ষ থেকে সেই দল সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা অবস্থান নয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালকে ঘিরে চার দশক আগের সেই ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ম্যাচ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

যানজট নিরসনে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার অভিযান, নম্বর প্লেটবিহীন ১৪০ অবৈধ টমটম আটক

‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চে অবাক নেটদুনিয়া

আপডেট সময় ০৫:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

গুগলে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ লিখে সার্চ দিলে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল ম্যাচের তথ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী সার্চ ফলাফলের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এটি গুগলের কোনো আনুষ্ঠানিক নামকরণ বা অবস্থান নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনা দলকে ব্যঙ্গ করে ‘চোরের দল’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে অসংখ্য পোস্ট, ভিডিও, মিম ও ক্যাপশন প্রকাশিত হয়েছে। গুগলের সার্চ অ্যালগরিদম অনলাইনে প্রচলিত কী-ওয়ার্ড ও কনটেন্টের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। ফলে ওই শব্দবন্ধের সঙ্গে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

এ আলোচনার পেছনে রয়েছে ১৯৮৬ সালের ২২ জুন মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে। ম্যাচের প্রথম গোলটি দিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে করেছিলেন, যা পরে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। রেফারির চোখ এড়িয়ে করা সেই গোল বৈধ হিসেবে গণ্য হওয়ায় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

তবে একই ম্যাচে ম্যারাডোনা প্রায় অর্ধেক মাঠ একাই ড্রিবল করে আরেকটি অসাধারণ গোল করেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ নামে স্বীকৃতি পায়।

ফুটবল সমর্থকদের একাংশের মতে, ১৯৮৬ সালের সেই বিতর্কিত গোলের স্মৃতি থেকেই প্রতিপক্ষ সমর্থকদের কেউ কেউ আর্জেন্টিনাকে ব্যঙ্গ করে ‘চোরের দল’সহ বিভিন্ন নামে উল্লেখ করে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ট্রোল, মিম ও পোস্টের সংখ্যা বাড়ায় ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটিও দ্রুত ভাইরাল হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গুগলের সার্চ ফলাফল ব্যবহারকারীদের অনুসন্ধান প্রবণতা, জনপ্রিয় কী-ওয়ার্ড এবং অনলাইনে থাকা বিভিন্ন কনটেন্টের ভিত্তিতে তৈরি হয়। তাই কোনো সার্চ ফলাফলে একটি দল বা বিষয় উঠে আসা মানেই গুগলের পক্ষ থেকে সেই দল সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা অবস্থান নয়।

২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনালকে ঘিরে চার দশক আগের সেই ঐতিহাসিক ও বিতর্কিত ম্যাচ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।