ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রজন্মের প্রতিধ্বনি লাখাইয়ের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo ২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন নেই মাধবপুর পৌরসভার Logo বীরাঙ্গনা ও যুদ্ধশিশুর ভিটেমাটি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তা-সহায়তা চান মা-মেয়ে Logo গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ; আটক ২ Logo মোদির সঙ্গে আজ বৈঠকে পুতিন, গুরুত্ব পাবে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতা Logo জয়ন্তিকা ট্রেনে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ, টাকা আদায়ে কার্যকর নজরদারির দাবি Logo পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বন্ধ হোয়াটসঅ্যাপ, সাপোর্ট পাচ্ছে না ৫.০ ও ৫.১ সংস্করণ Logo বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সরগরম মাঠ, তরুণ-প্রবীণ প্রার্থীদের প্রচারণায় জমজমাট Logo রাজশাহীতে গুদামে পর্যাপ্ত সার, মাঠে কৃষকের হাহাকার Logo চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় লাখাইয়ের ব্যবসায়ী সোহাগ নিহত, আহত ১

২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন নেই মাধবপুর পৌরসভার

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার
প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিজস্ব ভবন পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হওয়ার পরও বর্তমানে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে চলছে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২ আগস্ট ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মাধবপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। সময়ের সঙ্গে পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়লেও সে অনুযায়ী গড়ে ওঠেনি নিজস্ব অবকাঠামো।

জানা গেছে, পৌর ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা, নকশা অনুমোদন ও দরপত্রের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর্যায়ে জমি নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দেয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ২২৯২/১৮ দায়েরের পর ভবন নির্মাণের কার্যক্রম আটকে যায়।

প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় উপজেলা পরিষদের একটি ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। সীমিত পরিসরে একাধিক শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দাপ্তরিক কাজে স্থান সংকটের পাশাপাশি নাগরিকদের বসা ও অপেক্ষার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

মাধবপুর পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা রয়েছে। এসব সেবা নিশ্চিত করতে পৌরসভার প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিট সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ভবন নির্মাণে এখন আর কোনো বাধা নেই। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেই নিজস্ব পৌর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রজন্মের প্রতিধ্বনি লাখাইয়ের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

error:

২৯ বছরেও নিজস্ব ভবন নেই মাধবপুর পৌরসভার

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার
প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নিজস্ব ভবন পায়নি হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভা। ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হওয়ার পরও বর্তমানে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে চলছে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সেবা নিতে আসা নাগরিকদেরও নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২ আগস্ট ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে মাধবপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালে এটি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় উন্নীত হয়। সময়ের সঙ্গে পৌরসভার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়লেও সে অনুযায়ী গড়ে ওঠেনি নিজস্ব অবকাঠামো।

জানা গেছে, পৌর ভবন নির্মাণের জন্য জমি কেনা, নকশা অনুমোদন ও দরপত্রের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। তবে নির্মাণকাজ শুরুর পর্যায়ে জমি নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দেয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে রিট পিটিশন নম্বর ২২৯২/১৮ দায়েরের পর ভবন নির্মাণের কার্যক্রম আটকে যায়।

প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় উপজেলা পরিষদের একটি ভবনে পৌরসভার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পরে পুরাতন উপজেলা আদালত ভবনের কয়েকটি কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। সীমিত পরিসরে একাধিক শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় দাপ্তরিক কাজে স্থান সংকটের পাশাপাশি নাগরিকদের বসা ও অপেক্ষার জন্যও পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

মাধবপুর পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা রয়েছে। এসব সেবা নিশ্চিত করতে পৌরসভার প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজন থাকলেও নিজস্ব কার্যালয় না থাকায় কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মেহেদী হাসান বলেন, রিট সংক্রান্ত জটিলতা নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। ভবন নির্মাণে এখন আর কোনো বাধা নেই। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলেই নিজস্ব পৌর ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।