ঢাকা ১০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস Logo বাহুবলে অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি, উন্নত হয়েছে আইনশৃঙ্খলা Logo ব্রাজিল হারার শোক সইতে না পেরে গলায় ফাঁস নিলেন সমর্থক Logo ‘খেলা শেষ, খোদা হাফেজ’ Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ইসি মাছউদের Logo মাধবপুরে ঋণের চাপে আদিবাসী যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ Logo চা বাগানের কিশনের স্বপ্ন: সুযোগ পেলেই বদলে যাবে হাজারো জীবনের গল্প Logo রাস্তার পাশে পড়ে ছিল নবজাতক কন্যাশিশু, উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি Logo মাধবপুর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন: যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিরাপত্তা জোরদার, মাদকসেবনের অভিযোগে যুবক আটক

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”