ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতি পারভেজ সম্পাদক মনির Logo মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ Logo মাধবপুরে সিজারের পর পেটে গজ রাখার অভিযোগ ভিত্তিহীন, বায়োপসিতে ক্যানসার-টিবির আলামত মেলেনি Logo আকস্মিক পরিদর্শনে বীর সিংহপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চেয়ারম্যান সোহাগ Logo সাংবাদিক মিহির দেবের মা আর নেই Logo রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৩০৩ রোগীর চোখের অপারেশন Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত নয়: ইসি আনোয়ারুল Logo চিকিৎসক ছাড়াই চলছে নোয়াপাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতি পারভেজ সম্পাদক মনির

error:

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”