ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু Logo প্রবাসীর লাগেজ হোম ডেলিভারি না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা Logo হাইমচরের চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ দিল জ্ঞানের আলো সংগঠন Logo লাখাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে মামলার বাদী ও তাঁর পরিবারকে হত্যার হুমকির অভিযোগ Logo হাইমচরে ৫ নভেম্বরের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ বিএনপি নেতার Logo সিংহাগ্রামে অনাবৃষ্টি ও ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ দোয়া Logo মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্র ধরে ৩ বছর পর সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ Logo হাইমচরে এইচএসসি-আলিমে পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ মাত্র ৩

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

error:

জামালপুরে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস

আপডেট সময় ১০:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম:

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় একজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— মো. রাশেদুর রহমান ওরফে পাপ্পু (৩০), মো. বিজু মিয়া (৩৬), মো. বাদশা মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল মিয়া (৩৫), মো. আশরাফুল ইসলাম (৪০), জসিম ও আছমত। অপরদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক জানান, ২০২৫ সালের ২৫ মে রাতে বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষীয়া এলাকায় এক গৃহবধূকে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বকশীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বিচার চলাকালে মোট ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া চিকিৎসা প্রতিবেদন, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে, আসামি মো. ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, “আদালত উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।”