ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল রকিব Logo বুল্লা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছুর রহমানের ব্যাপক গণসংযোগ Logo লাখাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উদ্বোধন Logo ১৮ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্তে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা Logo নাচতে এসে নৌকায় গণধর্ষণের শিকার দুই নৃত্যশিল্পী Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাসের বুকে নৌকা বাইচ, দুই পাড়ে মানুষের ঢল Logo মালদ্বীপে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মদিনার জামাতের ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল Logo সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা নয় Logo বাহুবলে জিরাবোঝাই ট্রাক আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা হেলালসহ আটক ২ Logo মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ইসি মাছউদের

বাংলার খবর ডেস্ক:

আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে সে বিষয়ে এখনো কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বাস্তবতা ও প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। এরপর উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব, বর্ষা মৌসুম এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।

সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনো এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো চিঠি আসেনি। তবে কমিশন নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আচরণবিধির খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মতামত আহ্বান করা হয়েছে। মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।

সংশোধিত বিধিমালায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করা, পোস্টাল ব্যালট না রাখা এবং জাতীয় নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহার না করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল রকিব

error:

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা ইসি মাছউদের

আপডেট সময় ১০:০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:

আগামী অক্টোবর থেকে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী অক্টোবর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। সরকারের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় হলে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে স্থানীয় সরকারের প্রায় সব স্তরের নির্বাচন বাকি রয়েছে। সংবিধান ও আইনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এসব নির্বাচন পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে সে বিষয়ে এখনো কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বাস্তবতা ও প্রশাসনিক প্রয়োজন বিবেচনায় প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনাই বেশি। এরপর উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে পাবলিক পরীক্ষা, ধর্মীয় উৎসব, বর্ষা মৌসুম এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক ও যোগাযোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।

সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, এখনো এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো চিঠি আসেনি। তবে কমিশন নিজস্ব উদ্যোগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধি সংশোধনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আচরণবিধির খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মতামত আহ্বান করা হয়েছে। মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।

সংশোধিত বিধিমালায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করা, পোস্টাল ব্যালট না রাখা এবং জাতীয় নির্বাচনের মতো পোস্টার ব্যবহার না করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।