
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
সংবাদপত্র পড়ার আগ্রহ থেকেই শুরু। এরপর দীর্ঘ পথচলা, নানা অভিজ্ঞতা ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সাংবাদিকতাকেই জীবনের প্রধান পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন মাধবপুরের সাংবাদিক মোঃ আইয়ুব খান। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রিন্ট, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাজ করে তিনি নিজেকে একজন মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
২০১১ সালে মাধবপুরের সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজে স্নাতক (বিএসএস) শেষ বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা থেকে কুমিল্লা শারীরিক শিক্ষা কলেজ থেকে বিপিএড ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা এবং একটি বেসরকারি এনজিওতে চাকরি করলেও সেখানে নিজেকে খুঁজে পাননি। শেষ পর্যন্ত ফিরে আসেন তার ভালোবাসার জায়গা—সাংবাদিকতায়।
মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌমুহনী ইউনিয়নের শাহজালালপুর গ্রামের বাসিন্দা আইয়ুব খানের ছাত্রজীবন থেকেই বই ও সংবাদপত্র পড়ার প্রতি ছিল গভীর আগ্রহ। নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পড়ার মধ্য দিয়ে তার মধ্যে সাংবাদিকতার প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয়।
পরে আত্মীয়, প্রবীণ সাংবাদিক ও প্রয়াত কমিউনিস্ট নেতা আলাউদ্দিনের সম্পাদিত সাপ্তাহিক তথ্য বিচিত্রা পত্রিকায় কয়েকটি সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে সাংবাদিকতায় তার প্রথম আনুষ্ঠানিক পদচারণা শুরু হয়।
এরপর হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেশাদার সাংবাদিকতায় যাত্রা শুরু করেন। ধীরে ধীরে দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার, জাতীয় দৈনিক নবচেতনা, ইংরেজি দৈনিক দ্য বাংলাদেশ টুডে এবং প্রতিদিনের সংবাদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পান।
পরবর্তীতে প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাজের আগ্রহ থেকে ২০১৮ সালের ১০ জুন বাংলা টিভির মাধবপুর প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে তিনি ওই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে তার এ অর্জন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
এছাড়াও তিনি ইংরেজি দৈনিক দ্য এশিয়ান এজ এবং সিলেট থেকে প্রকাশিত একাত্তরের কথা পত্রিকায় নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন।
নিজস্ব সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থেকে তিনি চালু করেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বাংলার খবর’। তার সম্পাদনায় এবং বার্তা সম্পাদক লিটন বিন ইসলামের নেতৃত্বে সংবাদমাধ্যমটি বর্তমানে পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
নিজের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আইয়ুব খান বলেন, সাংবাদিকতা তার কাছে শুধুমাত্র একটি পেশা নয়, বরং সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ব পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখনও তিনি একজন মাঠপর্যায়ের সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। ধারাবাহিকভাবে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারাকেই তিনি নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন ও গর্ব বলে মনে করেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























