ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা Logo হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক Logo বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেলসদৃশ বস্তু, ঘটনাস্থলে বিশেষ দল Logo লাখাই মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজের বেহাল সড়ক, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা Logo মাধবপুরে অবৈধ বালু পরিবহনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এক কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে নৈশ চুরির হিড়িক, কয়েকদিনে দফায় দফায় চুরি Logo মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহ আর নেই, বয়স হয়েছিল ১০০ বছর Logo মাধবপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবক আটক

লুকোচুরি আর কত? ৪১ ঘণ্টা অন্ধকারে লাখাই, পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার বিভ্রান্তিকর তথ্যে ক্ষোভ

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় টানা ৪১ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। গত ২৮ এপ্রিল ভোর থেকে শুরু হওয়া বিদ্যুৎ বিভ্রাট দীর্ঘ সময় পেরিয়েও স্বাভাবিক না হওয়ায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও “এখনই দেওয়া হবে” বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুতের ডি‌জিএম সুমন সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দফায় দফায় বিদ্যুৎ ফেরার সময় পরিবর্তন করেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলা হলেও পরে তা রাত ৮টা, ৯টা এবং সর্বশেষ ১০টায় গড়ায়। তবে নির্ধারিত কোনো সময়েই বিদ্যুৎ ফেরেনি।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ ও সংবাদকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সঠিক তথ্য না দিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি পানির সংকট, সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন এবং তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

একজন ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন, “একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যখন বারবার মিথ্যা আশ্বাস দেন, তখন মানুষের ধৈর্য ভেঙে যায়। আমরা দ্রুত এর স্থায়ী সমাধান চাই।”

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুরো লাখাই উপজেলা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

error:

লুকোচুরি আর কত? ৪১ ঘণ্টা অন্ধকারে লাখাই, পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার বিভ্রান্তিকর তথ্যে ক্ষোভ

আপডেট সময় ১২:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় টানা ৪১ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। গত ২৮ এপ্রিল ভোর থেকে শুরু হওয়া বিদ্যুৎ বিভ্রাট দীর্ঘ সময় পেরিয়েও স্বাভাবিক না হওয়ায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৫টা থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ অফিসে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও “এখনই দেওয়া হবে” বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়। পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুতের ডি‌জিএম সুমন সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দফায় দফায় বিদ্যুৎ ফেরার সময় পরিবর্তন করেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলা হলেও পরে তা রাত ৮টা, ৯টা এবং সর্বশেষ ১০টায় গড়ায়। তবে নির্ধারিত কোনো সময়েই বিদ্যুৎ ফেরেনি।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন সাধারণ মানুষ ও সংবাদকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সঠিক তথ্য না দিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছেন।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি পানির সংকট, সেচ কার্যক্রমে বিঘ্ন এবং তীব্র গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

একজন ক্ষুব্ধ বাসিন্দা বলেন, “একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যখন বারবার মিথ্যা আশ্বাস দেন, তখন মানুষের ধৈর্য ভেঙে যায়। আমরা দ্রুত এর স্থায়ী সমাধান চাই।”

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুরো লাখাই উপজেলা বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।