ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক Logo বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেলসদৃশ বস্তু, ঘটনাস্থলে বিশেষ দল Logo লাখাই মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রি কলেজের বেহাল সড়ক, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা Logo মাধবপুরে অবৈধ বালু পরিবহনের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo শাহজাহানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এক কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে নৈশ চুরির হিড়িক, কয়েকদিনে দফায় দফায় চুরি Logo মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী সিতি হাসমাহ আর নেই, বয়স হয়েছিল ১০০ বছর Logo মাধবপুরে ৫ কেজি গাঁজাসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যুবক আটক Logo চুনারুঘাট-মাধবপুর সীমান্তে ৭ লাখ ২৯ হাজার টাকার গরু-মদ জব্দ Logo মাধবপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক

ডেস্ক নিউজ বাংলার খবর ২৪:
হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে অবস্থিত জান্নাতুল মাওয়া কওমী মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে এক স্কুলছাত্রকে নিয়ে গিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা সাদেকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে জিনের ভয় দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। সাদেকুল ইসলাম নবীগঞ্জ উপজেলার কুরশি ইউনিয়নের রাব্বানী মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী ছাত্র হবিগঞ্জ শহরের একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে কৌশলে মাদ্রাসায় নিয়ে যান সাদেকুল ইসলাম। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি কাউকে জানালে জিনের মাধ্যমে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ভুক্তভোগী মেসে ফিরে ঘটনাটি একজন সাংবাদিককে জানায়। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

অভিযুক্ত শিক্ষককে হবিগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যাওয়ার পর কয়েকজন মাদ্রাসাশিক্ষক থানায় গেলে তাদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহিদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রউফ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক

error:

হবিগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, আটক

আপডেট সময় ১০:২৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক নিউজ বাংলার খবর ২৪:
হবিগঞ্জ শহরের রাজনগরে অবস্থিত জান্নাতুল মাওয়া কওমী মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে এক স্কুলছাত্রকে নিয়ে গিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে মাওলানা সাদেকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীকে জিনের ভয় দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। সাদেকুল ইসলাম নবীগঞ্জ উপজেলার কুরশি ইউনিয়নের রাব্বানী মিয়ার ছেলে। ভুক্তভোগী ছাত্র হবিগঞ্জ শহরের একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে কৌশলে মাদ্রাসায় নিয়ে যান সাদেকুল ইসলাম। সেখানে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি কাউকে জানালে জিনের মাধ্যমে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে ভুক্তভোগী মেসে ফিরে ঘটনাটি একজন সাংবাদিককে জানায়। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

অভিযুক্ত শিক্ষককে হবিগঞ্জ সদর থানায় নিয়ে যাওয়ার পর কয়েকজন মাদ্রাসাশিক্ষক থানায় গেলে তাদের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহিদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রের বাবা বানিয়াচং উপজেলার সাঙ্গর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রউফ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।