ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

লাখাইয়ে রোপা আমনের আবাদ শেষ পর্যায়ে, সবুজে ছেয়ে গেছে হাওর

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে রোপা আমনের আবাদ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ায় অপেক্ষাকৃত নিচু জমিগুলোও ধীরে ধীরে আবাদের আওতায় আসছে। এতে উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরজুড়ে এখন দেখা মিলছে সবুজের সমারোহ।
ইতোমধ্যে রোপণ করা আমন ধানের খেতে মৃদুমন্দ বাতাসে দুলছে সবুজ ধানের পাতা। কৃষকেরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন ফসলের পরিচর্যায়। কেউ উইডার দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করছেন, আবার কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী সার, বালাইনাশক ও আগাছানাশক প্রয়োগ করছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৩০০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের জন্য ৩৭৫ হেক্টর এবং উফশী জাতের জন্য ৭ হাজার ৬৭৫ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ মৌসুমে বিআর-২২, ব্রিধান-৭৫, ব্রিধান-১০৩, বিনা-৭ ও বিনা-১৭ জাতের ধানের আবাদ তুলনামূলক বেশি হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং যথাসময়ে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ায় এবার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাওর ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে জমিতে আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ ও বালাইনাশক ব্যবহারের কাজ চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শাহাদুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমনের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এখনো নিম্নাঞ্চলের কিছু জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় সেসব জমিও আবাদের আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। উপজেলা ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর

error:

লাখাইয়ে রোপা আমনের আবাদ শেষ পর্যায়ে, সবুজে ছেয়ে গেছে হাওর

আপডেট সময় ০৬:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে রোপা আমনের আবাদ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ায় অপেক্ষাকৃত নিচু জমিগুলোও ধীরে ধীরে আবাদের আওতায় আসছে। এতে উপজেলার বিস্তীর্ণ হাওরজুড়ে এখন দেখা মিলছে সবুজের সমারোহ।
ইতোমধ্যে রোপণ করা আমন ধানের খেতে মৃদুমন্দ বাতাসে দুলছে সবুজ ধানের পাতা। কৃষকেরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন ফসলের পরিচর্যায়। কেউ উইডার দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করছেন, আবার কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী সার, বালাইনাশক ও আগাছানাশক প্রয়োগ করছেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ হাজার ৩০০ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের জন্য ৩৭৫ হেক্টর এবং উফশী জাতের জন্য ৭ হাজার ৬৭৫ হেক্টর জমি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ মৌসুমে বিআর-২২, ব্রিধান-৭৫, ব্রিধান-১০৩, বিনা-৭ ও বিনা-১৭ জাতের ধানের আবাদ তুলনামূলক বেশি হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, সময়মতো মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং যথাসময়ে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ায় এবার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাওর ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে জমিতে আগাছা পরিষ্কার, সার প্রয়োগ ও বালাইনাশক ব্যবহারের কাজ চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ভালো ফলনের আশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শাহাদুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রোপা আমনের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এখনো নিম্নাঞ্চলের কিছু জমি থেকে পানি নেমে যাওয়ায় সেসব জমিও আবাদের আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। উপজেলা ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছেন।