
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর তারা নিজ নিজ দলীয় পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দলটির আইন বিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের স্বার্থে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন।
একই কারণ উল্লেখ করে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগপত্র দেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদগুলো সাংবিধানিক ও নির্দলীয় হিসেবে বিবেচিত। এসব পদে দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় পদ-পদবীতে থাকতে পারেন না।
সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনকালে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য থাকেন না। এমনকি কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়ে যায়।
এছাড়া সংবিধানের ৭৪ ও ৭৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হলেও সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হয় এবং দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে থেকে দায়িত্ব পালন করতে হয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























