
বাংলার খবর ডেস্ক
সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর পদে এডভোকেট আমিনুল ইসলামকে নিয়োগ দিয়েছে। সোমবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চিফ প্রসিকিউটর অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমানের পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।
এডভোকেট আমিনুল ইসলাম ১৯৬৫ সালের ১৫ জুন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা নূর মিয়া এলাকায় সৎ ও সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেন। চৌমুহনী খুর্শিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে ১৯৮০ সালে তালেবপুর আহছানিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। ১৯৮২ সালে হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৪ সালে একই কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা আইন কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করে ১৯৮৮ সালে ঢাকা বারে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
১৯৯৩ সালে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে তালিকাভুক্ত আইনজীবী হন। কর্মজীবনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও লাইব্রেরি সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন। বহুল আলোচিত বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় তার সম্পৃক্ততা উল্লেখযোগ্য ছিল।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি পরিচিত মুখ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বিভিন্ন মামলায় তিনি অন্যতম আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন।
তার সহধর্মিণী এডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং মাধবপুর উপজেলা পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
পেশাগত দক্ষতা, দীর্ঘ আইনজীবী অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডের কারণে এডভোকেট আমিনুল ইসলাম নিজ এলাকায় একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















