ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১ Logo হাইমচরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাঁশ দিয়ে হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ২ Logo বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মাধবপুর ইউএনওর সরকারি গাড়ি Logo আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ

হবিগঞ্জ-৪ আসনের ৩৪ শতাংশ কেন্দ্রই ‘অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) সংসদীয় আসনের ৩৪ শতাংশ ভোটকেন্দ্রকে ‘অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রশাসন। যদিও নির্বাচন কমিশন এবার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শব্দের পরিবর্তে ‘অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ’ শব্দটি ব্যবহার করছে।

মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৮৩টি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

মাধবপুর উপজেলায় মোট ৯৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টিকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে চুনারুঘাট উপজেলার ৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৯টি কেন্দ্রকে একই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান।

এই হিসাবে পুরো আসনে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩টি, যা মোট কেন্দ্রের ৩৪ শতাংশ।

নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চুনারুঘাটে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন ২১টি এবং মাধবপুরের ৬টিসহ মোট ২৭টি কেন্দ্রে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।

২৮টি চা-বাগান নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে মাধবপুর উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০৭ জন এবং চুনারুঘাট উপজেলায় ২ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দুই উপজেলার সব ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে ১০৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

আশুগঞ্জে প্রাইভেটকারে ৫২ কেজি গাঁজা, গ্রেফতার ১

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনের ৩৪ শতাংশ কেন্দ্রই ‘অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’

আপডেট সময় ১২:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) সংসদীয় আসনের ৩৪ শতাংশ ভোটকেন্দ্রকে ‘অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে শনাক্ত করেছে প্রশাসন। যদিও নির্বাচন কমিশন এবার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ শব্দের পরিবর্তে ‘অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ’ শব্দটি ব্যবহার করছে।

মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের মোট কেন্দ্র সংখ্যা ১৮৩টি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

মাধবপুর উপজেলায় মোট ৯৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টিকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে চুনারুঘাট উপজেলার ৮৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৯টি কেন্দ্রকে একই শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান।

এই হিসাবে পুরো আসনে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩টি, যা মোট কেন্দ্রের ৩৪ শতাংশ।

নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে চুনারুঘাটে ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন ২১টি এবং মাধবপুরের ৬টিসহ মোট ২৭টি কেন্দ্রে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।

২৮টি চা-বাগান নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে মাধবপুর উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৮৫ হাজার ৯০৭ জন এবং চুনারুঘাট উপজেলায় ২ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহিদ বিন কাশেম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দুই উপজেলার সব ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে ১০৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।