ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি Logo মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সুরমা চা বাগান যুব সংঘের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মাধবপুর ইউএনওর সরকারি গাড়ি Logo আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল অকেজো, কাজে আসছে না বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে শত শত গ্রাহকের প্রিমিয়াম ও আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে। গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানোর পর মাধবপুর শাখা অফিসটি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না এবং আগের কয়েকটি মোবাইল নম্বরেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামের অনেক মানুষ সঞ্চয় ও মুনাফার আশায় বিভিন্ন মেয়াদি পলিসি খুলেছিলেন। তাঁদের অনেকে নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করে পলিসির মেয়াদও পূর্ণ করেছেন। কিন্তু মেয়াদ শেষে জমাকৃত টাকা ও মুনাফা পাওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা তা পাচ্ছেন না।

ছাতিয়াইন ইউনিয়নের রামেশ্বর গ্রামের গ্রাহক আবিদ আলম মহরম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সব প্রিমিয়াম পরিশোধ করার পরও পাওনা টাকা পাওয়ার বিষয়ে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

পশ্চিম মাধবপুরের গ্রাহক শফিক মিয়া ও শিমুলঘরের গ্রাহক শেখ রোকনও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সঞ্চয় ও মুনাফার টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

ফারইস্ট ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মাধবপুর শাখায় একসময় দায়িত্বশীল পদে থাকা ফরিদ আহমেদ বলেন, তিনি প্রায় ৬-৭ বছর আগে ব্যক্তিগত কারণে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। গ্রাহকেরা তাঁদের জমাকৃত টাকা ও মুনাফা ফেরত পেয়েছেন কি না, তা তাঁর জানা নেই।

মাধবপুর শাখার সাবেক অফিস এক্সিকিউটিভ মাসুক মিয়া জানান, বর্তমানে মাধবপুরে কোম্পানিটির কোনো শাখা বা কার্যক্রম নেই। গ্রাহকেরা তাঁদের প্রয়োজনে হবিগঞ্জ শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন।

গ্রাহকদের অভিযোগ, শাখা বন্ধ হওয়ার পর কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করতে না পারায় তাঁরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা তাঁদের জমাকৃত মূল টাকা ও প্রাপ্য মুনাফা দ্রুত পরিশোধের পাশাপাশি অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বিতর্কের মধ্যেই নাসিরনগরের ইউএনও শাহীনা নাছরিনের এডিসি পদোন্নতি

error:

মাধবপুরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে শত শত গ্রাহকের প্রিমিয়াম ও আমানতের টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে। গ্রাহকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালানোর পর মাধবপুর শাখা অফিসটি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না এবং আগের কয়েকটি মোবাইল নম্বরেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামের অনেক মানুষ সঞ্চয় ও মুনাফার আশায় বিভিন্ন মেয়াদি পলিসি খুলেছিলেন। তাঁদের অনেকে নিয়মিত প্রিমিয়াম পরিশোধ করে পলিসির মেয়াদও পূর্ণ করেছেন। কিন্তু মেয়াদ শেষে জমাকৃত টাকা ও মুনাফা পাওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা তা পাচ্ছেন না।

ছাতিয়াইন ইউনিয়নের রামেশ্বর গ্রামের গ্রাহক আবিদ আলম মহরম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সব প্রিমিয়াম পরিশোধ করার পরও পাওনা টাকা পাওয়ার বিষয়ে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

পশ্চিম মাধবপুরের গ্রাহক শফিক মিয়া ও শিমুলঘরের গ্রাহক শেখ রোকনও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সঞ্চয় ও মুনাফার টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

ফারইস্ট ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের মাধবপুর শাখায় একসময় দায়িত্বশীল পদে থাকা ফরিদ আহমেদ বলেন, তিনি প্রায় ৬-৭ বছর আগে ব্যক্তিগত কারণে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। গ্রাহকেরা তাঁদের জমাকৃত টাকা ও মুনাফা ফেরত পেয়েছেন কি না, তা তাঁর জানা নেই।

মাধবপুর শাখার সাবেক অফিস এক্সিকিউটিভ মাসুক মিয়া জানান, বর্তমানে মাধবপুরে কোম্পানিটির কোনো শাখা বা কার্যক্রম নেই। গ্রাহকেরা তাঁদের প্রয়োজনে হবিগঞ্জ শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন।

গ্রাহকদের অভিযোগ, শাখা বন্ধ হওয়ার পর কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করতে না পারায় তাঁরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা তাঁদের জমাকৃত মূল টাকা ও প্রাপ্য মুনাফা দ্রুত পরিশোধের পাশাপাশি অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।