
পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জ–৩ (লাখাই–শায়েস্তাগঞ্জ–হবিগঞ্জ সদর) আসন। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণা ঘিরে প্রার্থীদের ব্যস্ততার পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ ও কৌতূহল। পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানগুলোতে চলছে নির্বাচন নিয়ে নানা আলোচনা ও বিশ্লেষণ।
সরেজমিনে লাখাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামের টং দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে এক ভিন্নধর্মী আমেজ। দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও প্রফুল্লতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক ভোটারের মতে, এবারের নির্বাচন কেবল জয়-পরাজয়ের নয়, বরং নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি বড় উপলক্ষ।
গ্রামের সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে আলাপকালে সম্ভাব্য ফলাফলের একটি চিত্রও উঠে এসেছে। আলোচনায় জনপ্রিয়তার দিক থেকে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীককে এগিয়ে রাখছেন ভোটারদের বড় একটি অংশ। তাদের ধারণা, মাঠপর্যায়ে ধানের শীষের অবস্থান এবার বেশ শক্তিশালী। জনপ্রিয়তার বিচারে দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে দ্বিতীয় অবস্থানে রাখছেন স্থানীয়রা। এছাড়া মোমবাতি, হাতপাখা, লাঙ্গল ও ঘড়ি প্রতীক নিয়েও আলোচনা চললেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
তবে এসব আলোচনা চূড়ান্ত ফলাফলের নিশ্চয়তা নয়। ভোটের দিনই নির্ধারণ করবে প্রকৃত চিত্র। ভোটারদের প্রত্যাশা, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে তারা যেন কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধিকে ভোট দিতে পারেন।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























