ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

লাখাইয়ে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ: ‘স্যার’ না বলায় বুল্লা জনতা ব্যাংক ম্যানেজারের দুর্ব্যবহার

লাখাই প্রতিনিধি লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা বাজার জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেবল ‘স্যার’ না বলে ‘ম্যানেজার সাহেব’ সম্বোধন করায় তিনি গ্রাহক ও তাঁর সহযোগীর সঙ্গে অশালীন ভাষায় দুর্ব্যবহার করেন।

অভিযোগকারী গ্রাহক রোমান মিয়া জানান, গত মাসে তিনি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও চলতি মাসের বিলের কাগজে সেটি বকেয়া দেখানো হয়েছে। বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিল পরিশোধ হয়নি বলে দাবি করেন। পরে রোমান মিয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখার অনুরোধ করলে ম্যানেজার জানান, “সিসিটিভি চেক করার লোক নেই।”

এরপর রোমান মিয়ার সঙ্গে থাকা এক গ্রাহক ম্যানেজারকে “ম্যানেজার সাহেব” বলে সম্বোধন করলে সুমন দাস ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বলেন, “আমাকে ম্যানেজার সাহেব বলবে কেন? আমাকে স্যার বলবে!” এক পর্যায়ে তিনি রোমান মিয়াকে অপমান করে বলেন, “মূর্খ কোথাকার, অশিক্ষিত! আমাকে স্যার না বললে আমার অফিস থেকে বেরিয়ে যাও।”

এই অপমানজনক আচরণে গ্রাহকরা হতবাক হয়ে ব্যাংক থেকে ফিরে আসেন। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই ম্যানেজারের আচরণের তীব্র নিন্দা জানান এবং মন্তব্য করেন, তিনি ব্যাংকটিকে নিজের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্যাংক ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে বলেন, “আমাকে ব্যাংক ম্যানেজার বলবে কেন? আমি কি তার অধীনে চাকরি করি নাকি।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংক সেবার মান উন্নয়নের পরিবর্তে কর্মকর্তার এমন আচরণ জনসাধারণকে বিব্রত করছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

লাখাইয়ে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ: ‘স্যার’ না বলায় বুল্লা জনতা ব্যাংক ম্যানেজারের দুর্ব্যবহার

আপডেট সময় ০১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

লাখাই প্রতিনিধি লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা বাজার জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেবল ‘স্যার’ না বলে ‘ম্যানেজার সাহেব’ সম্বোধন করায় তিনি গ্রাহক ও তাঁর সহযোগীর সঙ্গে অশালীন ভাষায় দুর্ব্যবহার করেন।

অভিযোগকারী গ্রাহক রোমান মিয়া জানান, গত মাসে তিনি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও চলতি মাসের বিলের কাগজে সেটি বকেয়া দেখানো হয়েছে। বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিল পরিশোধ হয়নি বলে দাবি করেন। পরে রোমান মিয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখার অনুরোধ করলে ম্যানেজার জানান, “সিসিটিভি চেক করার লোক নেই।”

এরপর রোমান মিয়ার সঙ্গে থাকা এক গ্রাহক ম্যানেজারকে “ম্যানেজার সাহেব” বলে সম্বোধন করলে সুমন দাস ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বলেন, “আমাকে ম্যানেজার সাহেব বলবে কেন? আমাকে স্যার বলবে!” এক পর্যায়ে তিনি রোমান মিয়াকে অপমান করে বলেন, “মূর্খ কোথাকার, অশিক্ষিত! আমাকে স্যার না বললে আমার অফিস থেকে বেরিয়ে যাও।”

এই অপমানজনক আচরণে গ্রাহকরা হতবাক হয়ে ব্যাংক থেকে ফিরে আসেন। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই ম্যানেজারের আচরণের তীব্র নিন্দা জানান এবং মন্তব্য করেন, তিনি ব্যাংকটিকে নিজের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্যাংক ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে বলেন, “আমাকে ব্যাংক ম্যানেজার বলবে কেন? আমি কি তার অধীনে চাকরি করি নাকি।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংক সেবার মান উন্নয়নের পরিবর্তে কর্মকর্তার এমন আচরণ জনসাধারণকে বিব্রত করছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।