ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে রাতেও তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা Logo নাসিরনগরে ১০ শয্যা হাসপাতালে একজন নিরাপত্তা প্রহরীই ডাক্তার Logo ম্যাজিক প্যারাডাইস সংলগ্ন এলাকা থেকে নিখোঁজ অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার Logo প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছেন: এমপি ফয়সল Logo বানিয়াচংয়ে হযরত শাইখে গুনই (রহ.) ফাউন্ডেশনের সিরাত কনফারেন্স ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন Logo হাইমচরের জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত Logo বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে ৮০ হাজার টাকায় মামলা মীমাংসার অভিযোগ পল্লী বিদ্যুতের জিএমের বিরুদ্ধে Logo হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইপিএস হস্তান্তর Logo জামালপুরে গভীর রাতে যুবলীগের মশাল মিছিল Logo জ্ঞানের পরিধি বিস্তারে লেখাপড়ার বিকল্প নেই

লাখাইয়ে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ: ‘স্যার’ না বলায় বুল্লা জনতা ব্যাংক ম্যানেজারের দুর্ব্যবহার

লাখাই প্রতিনিধি লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা বাজার জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেবল ‘স্যার’ না বলে ‘ম্যানেজার সাহেব’ সম্বোধন করায় তিনি গ্রাহক ও তাঁর সহযোগীর সঙ্গে অশালীন ভাষায় দুর্ব্যবহার করেন।

অভিযোগকারী গ্রাহক রোমান মিয়া জানান, গত মাসে তিনি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও চলতি মাসের বিলের কাগজে সেটি বকেয়া দেখানো হয়েছে। বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিল পরিশোধ হয়নি বলে দাবি করেন। পরে রোমান মিয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখার অনুরোধ করলে ম্যানেজার জানান, “সিসিটিভি চেক করার লোক নেই।”

এরপর রোমান মিয়ার সঙ্গে থাকা এক গ্রাহক ম্যানেজারকে “ম্যানেজার সাহেব” বলে সম্বোধন করলে সুমন দাস ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বলেন, “আমাকে ম্যানেজার সাহেব বলবে কেন? আমাকে স্যার বলবে!” এক পর্যায়ে তিনি রোমান মিয়াকে অপমান করে বলেন, “মূর্খ কোথাকার, অশিক্ষিত! আমাকে স্যার না বললে আমার অফিস থেকে বেরিয়ে যাও।”

এই অপমানজনক আচরণে গ্রাহকরা হতবাক হয়ে ব্যাংক থেকে ফিরে আসেন। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই ম্যানেজারের আচরণের তীব্র নিন্দা জানান এবং মন্তব্য করেন, তিনি ব্যাংকটিকে নিজের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্যাংক ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে বলেন, “আমাকে ব্যাংক ম্যানেজার বলবে কেন? আমি কি তার অধীনে চাকরি করি নাকি।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংক সেবার মান উন্নয়নের পরিবর্তে কর্মকর্তার এমন আচরণ জনসাধারণকে বিব্রত করছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে রাতেও তীব্র যানজট, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

error:

লাখাইয়ে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ: ‘স্যার’ না বলায় বুল্লা জনতা ব্যাংক ম্যানেজারের দুর্ব্যবহার

আপডেট সময় ০১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

লাখাই প্রতিনিধি লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লা বাজার জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কেবল ‘স্যার’ না বলে ‘ম্যানেজার সাহেব’ সম্বোধন করায় তিনি গ্রাহক ও তাঁর সহযোগীর সঙ্গে অশালীন ভাষায় দুর্ব্যবহার করেন।

অভিযোগকারী গ্রাহক রোমান মিয়া জানান, গত মাসে তিনি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও চলতি মাসের বিলের কাগজে সেটি বকেয়া দেখানো হয়েছে। বিষয়টি ব্যাংক ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিল পরিশোধ হয়নি বলে দাবি করেন। পরে রোমান মিয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখার অনুরোধ করলে ম্যানেজার জানান, “সিসিটিভি চেক করার লোক নেই।”

এরপর রোমান মিয়ার সঙ্গে থাকা এক গ্রাহক ম্যানেজারকে “ম্যানেজার সাহেব” বলে সম্বোধন করলে সুমন দাস ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং বলেন, “আমাকে ম্যানেজার সাহেব বলবে কেন? আমাকে স্যার বলবে!” এক পর্যায়ে তিনি রোমান মিয়াকে অপমান করে বলেন, “মূর্খ কোথাকার, অশিক্ষিত! আমাকে স্যার না বললে আমার অফিস থেকে বেরিয়ে যাও।”

এই অপমানজনক আচরণে গ্রাহকরা হতবাক হয়ে ব্যাংক থেকে ফিরে আসেন। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। অনেকেই ম্যানেজারের আচরণের তীব্র নিন্দা জানান এবং মন্তব্য করেন, তিনি ব্যাংকটিকে নিজের পারিবারিক সম্পত্তি মনে করেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ব্যাংক ম্যানেজার সুমন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে বলেন, “আমাকে ব্যাংক ম্যানেজার বলবে কেন? আমি কি তার অধীনে চাকরি করি নাকি।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ব্যাংক সেবার মান উন্নয়নের পরিবর্তে কর্মকর্তার এমন আচরণ জনসাধারণকে বিব্রত করছে। এলাকাবাসী দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।