
পারভেজ হাসান, লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় যোগদানের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন ও জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রশংসিত হচ্ছেন লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ। চলতি বছরের ৯ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগে এলাকায় মারামারি ও দাঙ্গার প্রবণতা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
দাঙ্গা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিট পুলিশিং সভা, উঠান বৈঠক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছেন ওসি শরীফ আহমেদ। কোনো সংঘাতের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবে প্রতি শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আগাম ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজের আগে দাঙ্গা, মাদক, জুয়া, চুরি ও ছিনতাইবিরোধী সচেতনতামূলক বক্তব্য দিচ্ছেন তিনি। অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাঁর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশ সম্পর্কে আস্থা তৈরি করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা ওসি শরীফ আহমেদের মানবিক ও দক্ষ নেতৃত্বে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যকার দূরত্ব অনেকটাই কমেছে। জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের কারণে তাঁর কার্যক্রম স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে লাখাই থানার ওসি শরীফ আহমেদ বলেন, “আইনের সেবক হয়ে জনতার সারিতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যেতে চাই। পুলিশের দুয়ার সবার জন্য উন্মুক্ত। অপরাধকে ঘৃণা করলেও অপরাধীকে আইনের মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া সম্ভব। লাখাইকে একটি সম্পূর্ণ শান্তিময়, মাদকমুক্ত ও দাঙ্গামুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
তবে মারামারি ও দাঙ্গার প্রবণতা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কমার দাবিটির পক্ষে কোনো পরিসংখ্যান বা সরকারি নথি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























