ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্র ধরে ৩ বছর পর সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ Logo হাইমচরে এইচএসসি-আলিমে পাসের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ মাত্র ৩ Logo দীর্ঘদিন পর চালু হলো হাইমচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবা Logo লাখাইয়ে মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শূন্য, সার্বিক ফলাফলেও হতাশাজনক চিত্র Logo জামালপুরে চার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য, টানা দুই বছর ফেল সবাই Logo হাইমচর সরকারি কলেজে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৩৪.০৪ শতাংশ Logo চাকরিচ্যুতি ও বকেয়া বেতন নিয়ে জামালপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে অভিযোগ Logo হাইমচরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিলেন এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক Logo লাখাইয়ে তৃতীয় স্ত্রীর মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হুমায়ূন গ্রেফতার Logo লাখাইয়ে সার বিক্রিতে অনিয়ম, বিএডিসি ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার: ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সংরক্ষণ জরুরি’

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলো ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

শুক্রবার বিকেলে তিনি ঐতিহাসিক এই দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংবলিত স্থানগুলোর নানা দিক পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান এবং ৬ নম্বর শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী।

পরিদর্শনের সময় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার তেলিয়াপাড়া বাংলো ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো কেবল অতীতের স্মৃতি বহন করে না, বরং নবীন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সুন্দর পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক। ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই তেলিয়াপাড়া। তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এসব স্থাপনার আধুনিকায়ন ও প্রচার বাড়ানো জরুরি।

এ সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটন, সাংবাদিক শাহ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলোতে মুক্তিকামী বীর সেনানী ও কমান্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ রণকৌশল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থানটি অনন্য মর্যাদায় ভূষিত। বর্তমানে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে ইতিহাস অনুরাগী ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।

মহব্বতকে খাইছি, তোরেও খাইমু’—ফোনালাপের সূত্র ধরে ৩ বছর পর সেপটিক ট্যাংক থেকে কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

error:

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার: ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সংরক্ষণ জরুরি’

আপডেট সময় ০৬:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলো ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

শুক্রবার বিকেলে তিনি ঐতিহাসিক এই দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংবলিত স্থানগুলোর নানা দিক পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান এবং ৬ নম্বর শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী।

পরিদর্শনের সময় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার তেলিয়াপাড়া বাংলো ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো কেবল অতীতের স্মৃতি বহন করে না, বরং নবীন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সুন্দর পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক। ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই তেলিয়াপাড়া। তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এসব স্থাপনার আধুনিকায়ন ও প্রচার বাড়ানো জরুরি।

এ সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটন, সাংবাদিক শাহ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলোতে মুক্তিকামী বীর সেনানী ও কমান্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ রণকৌশল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থানটি অনন্য মর্যাদায় ভূষিত। বর্তমানে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে ইতিহাস অনুরাগী ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।