ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সৈয়দ মোঃ ফয়সল: উন্নয়ন, সততা ও গণমানুষের আস্থার প্রতীক Logo রেশন-তলবের দাবিতে নোয়াপাড়া চা বাগানে শ্রমিক কর্মবিরতি, স্থবির উৎপাদন Logo ডেপুটি রেঞ্জারের ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo নাটোরে হুইপ দুলুকে গুলির চেষ্টা, পিস্তলসহ যুবক আটক Logo তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার: ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সংরক্ষণ জরুরি’ Logo চুনারুঘাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও দূর্নীতিবাজ ডেপুটি রেঞ্জার আশিক’র এলাকায় বসবাস নিয়ে ক্ষোভ Logo মাধবপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু পরিবারের অভিযোগ, বিদেশে যাওয়ার টাকার জন্য হত্যা Logo নেত্রকোণায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার Logo সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে পদ্ম গোখরা ও দাঁড়াশ সাপ অবমুক্ত Logo মাধবপুরে বসতঘরে ঢুকে দখলচেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার: ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সংরক্ষণ জরুরি’

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলো ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

শুক্রবার বিকেলে তিনি ঐতিহাসিক এই দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংবলিত স্থানগুলোর নানা দিক পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান এবং ৬ নম্বর শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী।

পরিদর্শনের সময় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার তেলিয়াপাড়া বাংলো ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো কেবল অতীতের স্মৃতি বহন করে না, বরং নবীন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সুন্দর পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক। ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই তেলিয়াপাড়া। তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এসব স্থাপনার আধুনিকায়ন ও প্রচার বাড়ানো জরুরি।

এ সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটন, সাংবাদিক শাহ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলোতে মুক্তিকামী বীর সেনানী ও কমান্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ রণকৌশল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থানটি অনন্য মর্যাদায় ভূষিত। বর্তমানে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে ইতিহাস অনুরাগী ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

সৈয়দ মোঃ ফয়সল: উন্নয়ন, সততা ও গণমানুষের আস্থার প্রতীক

error:

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার: ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সংরক্ষণ জরুরি’

আপডেট সময় ০৬:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, বাংলার খবর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলো ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত তেলিয়াপাড়া স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান।

শুক্রবার বিকেলে তিনি ঐতিহাসিক এই দুটি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংবলিত স্থানগুলোর নানা দিক পরিদর্শন করেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তা ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান এবং ৬ নম্বর শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন চৌধুরী।

পরিদর্শনের সময় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার তেলিয়াপাড়া বাংলো ও স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের অমূল্য সম্পদ। এই ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো কেবল অতীতের স্মৃতি বহন করে না, বরং নবীন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে দারুণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে সুন্দর পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক। ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই তেলিয়াপাড়া। তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে এসব স্থাপনার আধুনিকায়ন ও প্রচার বাড়ানো জরুরি।

এ সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহাউদ্দিন লিটন, সাংবাদিক শাহ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া চা বাগান বাংলোতে মুক্তিকামী বীর সেনানী ও কমান্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ রণকৌশল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থানটি অনন্য মর্যাদায় ভূষিত। বর্তমানে প্রতিদিন দেশের নানা প্রান্ত থেকে ইতিহাস অনুরাগী ও পর্যটকরা এখানে ছুটে আসেন।