ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী আহত, ট্রাক্টরসহ দুই যান জব্দ Logo নোয়াপাড়ায় মাসব্যাপী শিশুকিশোর আনন্দ মেলার উদ্বোধন Logo ইউপি উন্নয়ন প্রকল্পে ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ Logo আবাবিল সোসাইটির অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo মাধবপুরে গুমুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট Logo নাসিরনগরে হাত-পা বাঁধা যুবকের লাশ উদ্ধার, স্বজনদের আহাজারি Logo সায়হাম গ্রুপ পরিদর্শনে মার্কিন প্রতিনিধিদল Logo মাধবপুরের মাদক ব্যবসায়ী শায়েস্তাগঞ্জে ৫৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার Logo আলগী বাজারে ঝুলন্ত বিদ্যুৎ তার, দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে Logo ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় জামালগঞ্জ নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক

নেত্রকোণায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪-এর একটি দল গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

ময়মনসিংহ র‍্যাবের সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রিপন মিয়ার নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে রিপন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস বসানো হয়। সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এলাকাছাড়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের। ওই সালিসের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নেত্রকোণা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিহির রঞ্জন দেব জানান, র‍্যাব রিপন মিয়াকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করেছে। সেখান থেকে তাকে নেত্রকোণায় আনা হচ্ছে।

মামলার এজাহার ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যায় বাড়ির উঠানে রান্নার সময় রিপন মিয়া ওই স্কুলছাত্রীকে জোর করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় মেয়েটির বাবা-মা বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তদন্ত শেষে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী আহত, ট্রাক্টরসহ দুই যান জব্দ

error:

নেত্রকোণায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:২৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণায় ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪-এর একটি দল গৌরীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

ময়মনসিংহ র‍্যাবের সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রিপন মিয়ার নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও আটজনকে আসামি করে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে রিপন মিয়া আত্মগোপনে ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস বসানো হয়। সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এলাকাছাড়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের। ওই সালিসের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নেত্রকোণা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিহির রঞ্জন দেব জানান, র‍্যাব রিপন মিয়াকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করেছে। সেখান থেকে তাকে নেত্রকোণায় আনা হচ্ছে।

মামলার এজাহার ও পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট সন্ধ্যায় বাড়ির উঠানে রান্নার সময় রিপন মিয়া ওই স্কুলছাত্রীকে জোর করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় মেয়েটির বাবা-মা বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান বলেও অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তদন্ত শেষে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।