ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সিলেটের জৈন্তাপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮ Logo মাধবপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আড়াই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ Logo বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কি ফিরছে ম্যানেজিং কমিটির হাতে? Logo আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস: গুরুত্ব পাচ্ছে অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবা লাইফস্টাইল ডেস্ক, Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা মহাসড়কের চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি তাহেরীর Logo লাখাইয়ে জনবান্ধব পুলিশিংয়ে প্রশংসিত ওসি শরীফ আহমেদ: মারামারি-দাঙ্গা কমেছে ৮০% Logo লাখাইয়ে ৫৩৩ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সোমবার প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল, জানা যাবে ২ভাবে Logo মাধবপুরে ৫৫ বিজিবির অভিযান: ৮ ভারতীয় গরু, ১০ কেজি গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার Logo এমপি ফয়সলকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, মাধবপুর থানায় জিডি

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে থাকবেন ইমাম পুরোহিত ও যাজকরা

জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব বা বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের সদস্য হিসেবে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যাদের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে যাদের কাছ থেকে ভালো উপদেশের প্রত্যাশা করে। অনুষ্ঠানে ইসলামের ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার কথাও জানান তিনি। ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দেশকে দাঁড় করাতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচারী শক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।

দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব মসজিদকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

সরকারের নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের জৈন্তাপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮

error:

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে থাকবেন ইমাম পুরোহিত ও যাজকরা

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব বা বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের সদস্য হিসেবে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যাদের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে যাদের কাছ থেকে ভালো উপদেশের প্রত্যাশা করে। অনুষ্ঠানে ইসলামের ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার কথাও জানান তিনি। ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দেশকে দাঁড় করাতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচারী শক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।

দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব মসজিদকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

সরকারের নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।