
জেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম, খতিব বা বিভিন্ন ধর্মের ধর্মগুরুদের সদস্য হিসেবে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত ও বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যাদের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে যাদের কাছ থেকে ভালো উপদেশের প্রত্যাশা করে। অনুষ্ঠানে ইসলামের ইমাম-খতিব ও মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত ও বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে এবং পহেলা বৈশাখ থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু করার কথাও জানান তিনি। ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দেশকে দাঁড় করাতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচারী শক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।
দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব মসজিদকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
সরকারের নতুন কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির ও ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























