ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হাইমচরে বিএনপির ১৩০ নেতাকর্মীর পদত্যাগ Logo শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় Logo নবীগঞ্জে মুফতি আব্দুল কাইয়ুমকে সম্মাননা স্মারক প্রদান Logo লাখাইয়ে ইয়াবা বিক্রিতে বাধা, প্রতিবন্ধী যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ Logo হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ নির্বাচিত হলেন ইকতিয়ার মিয়া Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে অতিষ্ঠ গ্রামবাসীর হামলা, কয়েকটি বাড়ির মালামালে আগুন Logo হাইমচরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসনের উদ্বোধন Logo হাইমচর মহাবিদ্যালয়ে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ Logo ফেসবুকের আয় ও বন্ধুদের সহযোগিতায় অসহায় রাশিদার নতুন ঘর নির্মাণ করলেন শান্ত শাহ Logo লাখাই থানার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শরীফ আহমেদ

চার বছর পর উৎপাদনে ফিরেছে শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারও আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে হবিগঞ্জের শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি একটি ইউনিট চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন এবং মেরামত কাজে দীর্ঘ সময় লাগায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চার বছর বন্ধ ছিল।

মেরামত কাজের জন্য সরকার পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন দেয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ১১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার একটি প্রস্তাব অনুমোদনের পর গ্যাস টারবাইন-২ (জিটি-২) মেরামতের দায়িত্ব পায় চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেপকো-১১১ ইলেক্টনিক পাওয়ার কন্সট্রাকশন।

প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি একটি ইউনিট আংশিক সচল করে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে ১১০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রায় ১৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ চার বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গ্যাসচালিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০১৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে এবং পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়। কেন্দ্রটি স্থাপনে প্রায় ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দীর্ঘদিন পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে নতুন করে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে হাইমচরে বিএনপির ১৩০ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

error:

চার বছর পর উৎপাদনে ফিরেছে শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারও আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে হবিগঞ্জের শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি একটি ইউনিট চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন এবং মেরামত কাজে দীর্ঘ সময় লাগায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চার বছর বন্ধ ছিল।

মেরামত কাজের জন্য সরকার পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন দেয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ১১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার একটি প্রস্তাব অনুমোদনের পর গ্যাস টারবাইন-২ (জিটি-২) মেরামতের দায়িত্ব পায় চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেপকো-১১১ ইলেক্টনিক পাওয়ার কন্সট্রাকশন।

প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি একটি ইউনিট আংশিক সচল করে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে ১১০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রায় ১৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ চার বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গ্যাসচালিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০১৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে এবং পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়। কেন্দ্রটি স্থাপনে প্রায় ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দীর্ঘদিন পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে নতুন করে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।