
শেখ ইমন আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার বিকেল ৫টায় ঢাকার নয়াপল্টনে পরিষদের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিষদের সহ-সভাপতি এবাদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক লায়ন আহাদ উদ্দিন চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. মুজিবুর রহমান, আব্দুল মজিদ চৌধুরী, এ এস এম কামরুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট আব্দুল মোনেম চৌধুরী।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. কুতুব উদ্দিন সোহেল, আলাউদ্দিন আল আজাদ, মো. সিরাজুল ইসলাম বাচ্চু ও মোকাম্মেল হোসেন চৌধুরী (মেনন)। সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রনি এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ছাইফুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সভায় অংশ নেন।
এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুর রব, প্রচার সম্পাদক আনহার আহমদ সমশাদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নিজাম খাঁন, সমাজসেবা সম্পাদক মো. মোখলেছুর রহমান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ জমির আলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহ আলম কবির, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রাশেদ নিজাম চৌধুরী, কৃষি সম্পাদক মো. সারোয়ার খান (ফারুক) এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক কাজী মুনিরা আহমেদ মনি উপস্থিত ছিলেন।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সভায় অংশ নেন মো. মোখলেছুর রহমান, আ.ফ.ম. সিরাজুল ইসলাম শামীম, ক্যাপ্টেন মিজানুর রহমান চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওয়ালীউর রহমান, মো. রিপন কবির লস্কর, আনোয়ারা আক্তার, ব্যারিস্টার ফয়েজ উদ্দিন আহমদ, কাজী মামুন হোসেন ও মো. নাঈমুর রহমান।
শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলী সভায় সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে তিনি অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি সিলেট বিভাগের মানুষের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নে পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে নবনির্বাচিত কমিটির সব সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সভায় নবনির্বাচিত সদস্যরা নিজেদের মধ্যে পরিচিত হন এবং পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়।
সভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থী এবং নির্বাচিত ও অনির্বাচিত সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। পরিষদের কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 










