ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা Logo সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ Logo লাখাইয়ে বিএনপি নেতা ছুরে রহমানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ Logo লাখাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে অচলাবস্থা, সেবা না পেয়ে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

চার বছর পর উৎপাদনে ফিরেছে শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারও আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে হবিগঞ্জের শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি একটি ইউনিট চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন এবং মেরামত কাজে দীর্ঘ সময় লাগায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চার বছর বন্ধ ছিল।

মেরামত কাজের জন্য সরকার পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন দেয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ১১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার একটি প্রস্তাব অনুমোদনের পর গ্যাস টারবাইন-২ (জিটি-২) মেরামতের দায়িত্ব পায় চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেপকো-১১১ ইলেক্টনিক পাওয়ার কন্সট্রাকশন।

প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি একটি ইউনিট আংশিক সচল করে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে ১১০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রায় ১৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ চার বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গ্যাসচালিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০১৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে এবং পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়। কেন্দ্রটি স্থাপনে প্রায় ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দীর্ঘদিন পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে নতুন করে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা

error:

চার বছর পর উৎপাদনে ফিরেছে শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর আবারও আংশিক উৎপাদনে ফিরেছে হবিগঞ্জের শাহজিবাজার ৩৩০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি একটি ইউনিট চালু করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।

কেন্দ্রসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন এবং মেরামত কাজে দীর্ঘ সময় লাগায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চার বছর বন্ধ ছিল।

মেরামত কাজের জন্য সরকার পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন দেয়। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ১১১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার একটি প্রস্তাব অনুমোদনের পর গ্যাস টারবাইন-২ (জিটি-২) মেরামতের দায়িত্ব পায় চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সেপকো-১১১ ইলেক্টনিক পাওয়ার কন্সট্রাকশন।

প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি একটি ইউনিট আংশিক সচল করে উৎপাদন শুরু করেছে। বর্তমানে ১১০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

শাহজিবাজার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে প্রায় ১৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ চার বছর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গ্যাসচালিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০১৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে এবং পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়। কেন্দ্রটি স্থাপনে প্রায় ২ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, দীর্ঘদিন পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে নতুন করে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে এবং সামগ্রিক বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে।