ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ Logo ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ বাহিনীর পদবি পরিবর্তন, দফাদার হলেন ‘গ্রাম পুলিশ প্রধান’ Logo জামালপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ, দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা Logo এসআরবির মহাপরিচালক হলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ Logo জামালপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান, তিন মামলায় ৬ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কারে যুবকদের নিয়ে মাঠে নামলেন রহিম মিয়া Logo মাধবপুর-চুনারুঘাটের ৫ চা বাগানে ৯ দিন রেশন বন্ধ, ৩ হাজার ৪০০ শ্রমিককে ১৭ টন চাল দিলেন শাফকাত Logo মাধবপুরে ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা-মেহেদীসহ কাভার্ড ভ্যান জব্দ Logo লাখাইয়ে সালিশের টাকা দিতে গিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, ছিনিয়ে নেওয়ার দাবি ২ লাখ টাকা Logo সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতল আদাঐর সালমান ট্রেডার্স একাদশ

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০২:২৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।