ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০২:২৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।