
বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ইকরতলী গ্রামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর নাম ফাহিমা আক্তার (২৫)। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার রাতে আনুমানিক ৮টার দিকে ইকরতলী গ্রামের পন্ডিত মিয়ার বসতঘর থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসে।
নিহত ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ফাহিমার স্বামী সুজন ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমার স্বামী সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া সম্পর্ক ও যৌতুক দাবির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে একাধিকবার ফাহিমাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। এ নিয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে নিহতের শাশুড়ি আংগুরা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়াঝাটি হয়নি। তার দাবি, বিকেলে ফাহিমা নিজ কক্ষে ছিলেন। সন্ধ্যার আগে তার সাত বছরের ছেলে জিহাদ মাকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পায়।
ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুজন পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 




















