ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

চুনারুঘাটে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যা না আত্মহত্যা নিয়ে চাঞ্চল্য

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ইকরতলী গ্রামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর নাম ফাহিমা আক্তার (২৫)। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাতে আনুমানিক ৮টার দিকে ইকরতলী গ্রামের পন্ডিত মিয়ার বসতঘর থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসে।

নিহত ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ফাহিমার স্বামী সুজন ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমার স্বামী সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া সম্পর্ক ও যৌতুক দাবির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে একাধিকবার ফাহিমাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। এ নিয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে নিহতের শাশুড়ি আংগুরা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়াঝাটি হয়নি। তার দাবি, বিকেলে ফাহিমা নিজ কক্ষে ছিলেন। সন্ধ্যার আগে তার সাত বছরের ছেলে জিহাদ মাকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পায়।

ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুজন পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

চুনারুঘাটে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যা না আত্মহত্যা নিয়ে চাঞ্চল্য

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ইকরতলী গ্রামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত গৃহবধূর নাম ফাহিমা আক্তার (২৫)। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার রাতে আনুমানিক ৮টার দিকে ইকরতলী গ্রামের পন্ডিত মিয়ার বসতঘর থেকে ফাহিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ থানায় নিয়ে আসে।

নিহত ফাহিমার বাবা সুন্দরপুর গ্রামের নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ফাহিমার স্বামী সুজন ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমার স্বামী সুজনের বিরুদ্ধে পরকীয়া সম্পর্ক ও যৌতুক দাবির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে একাধিকবার ফাহিমাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। এ নিয়ে স্থানীয় মুরুব্বিদের মাধ্যমে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে নিহতের শাশুড়ি আংগুরা খাতুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার দিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো ঝগড়াঝাটি হয়নি। তার দাবি, বিকেলে ফাহিমা নিজ কক্ষে ছিলেন। সন্ধ্যার আগে তার সাত বছরের ছেলে জিহাদ মাকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পায়।

ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুজন পলাতক রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।