ঢাকা ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন Logo মাধবপুরে ট্রাক্টরের চাপায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo রেমা-কালেঙ্গা বনে ট্রাক্টরসহ গাছ আটক, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা নিয়ে সভা Logo বুধবার সরকারি দলের সংসদীয় সভা, এমপিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ Logo ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত দেশে আনা হবে: আইজিপি Logo মাধবপুরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত Logo সৌদিতে আবাসিক ভবনে মিসাইলের আঘাত, বাংলাদেশিসহ নিহত ২ Logo লাখাইয়ে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আটক ২

বঞ্চিত ‘গুরুত্বপূর্ণদের’ দলে মূল্যায়ন করবে বিএনপি

বাংলার খবর ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের প্রতিটিতেই বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৩টি ফাঁকা রেখে (পরিবর্তনের শর্তে) ২৩৭টি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। মনোনয়নবঞ্চিতদের মধ্যে যারা গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয়, তাদের আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

দল সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও আন্দোলনে সক্রিয় নেতাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দলকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “যারা মনোনয়ন পাননি, বিশ্বাস রাখুন—দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে।”

ফাঁকা রাখা ৬৩টি আসনে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দল ও নিজ দলের প্রার্থীদের মধ্য থেকে একক প্রার্থী দেওয়া হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তাদেরও প্রার্থী করা হতে পারে। তাই কিছু আসনে আমাদের প্রার্থী নাও থাকতে পারে। বঞ্চিত নেতাদের প্রতি অনুরোধ, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এই বাস্তবতা মেনে নিন।”

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে দলীয় বা মিত্র প্রার্থীদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের চার নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “দলের শৃঙ্খলার বাইরে গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এখানে কোনো ছাড় নেই।”

২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকায় অনেক সিনিয়র ও ত্যাগী নেতার নাম না থাকায় দলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে চলছে আলোচনা–সমালোচনা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।

অন্যদিকে, ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের প্রায় অর্ধেকই জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এসব আসনে বিভিন্ন দলের নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে নীলফামারী, ঝিনাইদহ, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, রাজবাড়ীসহ একাধিক আসনে আলোচনা চলছে।

চট্টগ্রামের সহিংসতার ঘটনায় সোমবার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

(সারাদেশের ব্যুরো অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।)

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পৃথক স্থানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; রণক্ষেত্র দুই গ্রাম, আহত ২২ জন

error:

বঞ্চিত ‘গুরুত্বপূর্ণদের’ দলে মূল্যায়ন করবে বিএনপি

আপডেট সময় ১০:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের প্রতিটিতেই বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৩টি ফাঁকা রেখে (পরিবর্তনের শর্তে) ২৩৭টি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। মনোনয়নবঞ্চিতদের মধ্যে যারা গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয়, তাদের আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি।

দল সূত্রে জানা গেছে, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও আন্দোলনে সক্রিয় নেতাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দলকে শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “যারা মনোনয়ন পাননি, বিশ্বাস রাখুন—দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে।”

ফাঁকা রাখা ৬৩টি আসনে যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র রাজনৈতিক দল ও নিজ দলের প্রার্থীদের মধ্য থেকে একক প্রার্থী দেওয়া হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন, তাদেরও প্রার্থী করা হতে পারে। তাই কিছু আসনে আমাদের প্রার্থী নাও থাকতে পারে। বঞ্চিত নেতাদের প্রতি অনুরোধ, দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এই বাস্তবতা মেনে নিন।”

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতে দলীয় বা মিত্র প্রার্থীদের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের চার নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, “দলের শৃঙ্খলার বাইরে গেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, এখানে কোনো ছাড় নেই।”

২৩৭ আসনের প্রার্থী তালিকায় অনেক সিনিয়র ও ত্যাগী নেতার নাম না থাকায় দলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে চলছে আলোচনা–সমালোচনা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেই ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে।

অন্যদিকে, ফাঁকা রাখা ৬৩ আসনের প্রায় অর্ধেকই জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এসব আসনে বিভিন্ন দলের নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে নীলফামারী, ঝিনাইদহ, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, কিশোরগঞ্জ, চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, রাজবাড়ীসহ একাধিক আসনে আলোচনা চলছে।

চট্টগ্রামের সহিংসতার ঘটনায় সোমবার রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

(সারাদেশের ব্যুরো অফিস, নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।)