ঢাকা ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩৫ কর্মকর্তার লকার খুলছে আজ

বাংলার খবর ডেস্ক:

বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন, শেয়ারবাজার জালিয়াতি, রিজার্ভ অর্থ তছরুপসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান ৩৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়িয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব কর্মকর্তার ব্যক্তিগত লকার খুলে সম্পদের হিসাব যাচাই করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে দুদকের বিশেষ টিম এসব লকার খুলবে। এর আগে আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট লকারগুলো ফ্রিজ করা হয়।

দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল লকারগুলো খুলে সম্পদের তালিকা তৈরি করবে এবং পরবর্তী সময়ে তা আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর (এস কে সুর) লকার থেকে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার হওয়ার পর আরও ৩৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও মো. আবদুর রউফ তালুকদার-এর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এছাড়া, ডেপুটি গভর্নর মোছা. নুরুন্নাহার, ড. হাবিবুর রহমান, কাজী সাইদুর রহমান, উপদেষ্টা আবু ফরাহ মো. নাসের, নির্বাহী পরিচালক ড. সায়েরা ইউনুসসহ আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সংস্থাটির নজরদারিতে রয়েছেন।

এছাড়া, সাবেক নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, সাবেক পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ, বিএফআইইউর (বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) সাবেক প্রধান কর্মকর্তা মাসুদ বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।

আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ লকার খোলার বিপক্ষে মত দিচ্ছেন, আবার কেউ দুর্নীতিবাজদের অপকর্ম প্রকাশ পাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

সূত্র জানায়, ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, শেয়ারবাজার জালিয়াতি, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি, রিজার্ভ অর্থ তছরুপসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩৫ কর্মকর্তার লকার খুলছে আজ

আপডেট সময় ১২:৫৯:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন, শেয়ারবাজার জালিয়াতি, রিজার্ভ অর্থ তছরুপসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান ৩৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়িয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব কর্মকর্তার ব্যক্তিগত লকার খুলে সম্পদের হিসাব যাচাই করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতে দুদকের বিশেষ টিম এসব লকার খুলবে। এর আগে আদালতের অনুমতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট লকারগুলো ফ্রিজ করা হয়।

দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল লকারগুলো খুলে সম্পদের তালিকা তৈরি করবে এবং পরবর্তী সময়ে তা আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর (এস কে সুর) লকার থেকে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার হওয়ার পর আরও ৩৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও মো. আবদুর রউফ তালুকদার-এর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এছাড়া, ডেপুটি গভর্নর মোছা. নুরুন্নাহার, ড. হাবিবুর রহমান, কাজী সাইদুর রহমান, উপদেষ্টা আবু ফরাহ মো. নাসের, নির্বাহী পরিচালক ড. সায়েরা ইউনুসসহ আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সংস্থাটির নজরদারিতে রয়েছেন।

এছাড়া, সাবেক নির্বাহী পরিচালক শাহ আলম, সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, সাবেক পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ, বিএফআইইউর (বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট) সাবেক প্রধান কর্মকর্তা মাসুদ বিশ্বাসসহ আরও কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুদক।

আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কেউ লকার খোলার বিপক্ষে মত দিচ্ছেন, আবার কেউ দুর্নীতিবাজদের অপকর্ম প্রকাশ পাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

সূত্র জানায়, ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, শেয়ারবাজার জালিয়াতি, পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, সঞ্চয়পত্র জালিয়াতি, রিজার্ভ অর্থ তছরুপসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।