ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপিতে বিভক্তি, মাঠে বিকল্প মিশনে জামায়াত

হামিদুর রহমান, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চার প্রার্থী। ০৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর থেকে তারা মাঠে নেমে সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়াঙ্গনে অংশ নিচ্ছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটের বাইরে থাকা সাধারণ ভোটাররাও এবার ভোট দেওয়ার অপেক্ষায়।

কে হচ্ছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী—এ নিয়ে হাটবাজারে চলছে গুঞ্জন। তবে বিএনপির হাইকমান্ড জানায়, আন্দোলনে সক্রিয় থেকে হামলা-মামলা ও জেলজুলুম সহ্য করা নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটারের এ আসনে চা শ্রমিকদের ভোটই নির্ধারণ করবে জয়-পরাজয়।

মনোনয়নের দৌড়ে রয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি বর্ষীয়ান নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল, আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আমিনুল ইসলাম, সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী। এছাড়া সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানও লবিং করছেন।

অন্যদিকে জামায়াত তাদের একক প্রার্থী হিসেবে জেলা আমীর কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমানকে মাঠে নামিয়েছে। খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের ও জমিয়তের মাওলানা হেকিম নুরুজ্জামানও গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগ যদি দলীয়ভাবে নির্বাচনে না আসে তবে বিএনপির ভোট ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি এবং মাঠে জামায়াতের সংগঠিত তৎপরতা আসনটিতে চমক সৃষ্টি করতে পারে।

পাহাড়-টিলা, পর্যটন ও চা বাগানবেষ্টিত হবিগঞ্জ-৪ আসনের মোট ভোটার ৫ লাখ ৫০ হাজার ২৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬০৭ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৫। নতুন প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য ভোটার এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন, যা নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপিতে বিভক্তি, মাঠে বিকল্প মিশনে জামায়াত

আপডেট সময় ০৪:২৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হামিদুর রহমান, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে সক্রিয় রয়েছেন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী চার প্রার্থী। ০৫ আগস্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর থেকে তারা মাঠে নেমে সভা-সমাবেশ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও ক্রীড়াঙ্গনে অংশ নিচ্ছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটের বাইরে থাকা সাধারণ ভোটাররাও এবার ভোট দেওয়ার অপেক্ষায়।

কে হচ্ছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী—এ নিয়ে হাটবাজারে চলছে গুঞ্জন। তবে বিএনপির হাইকমান্ড জানায়, আন্দোলনে সক্রিয় থেকে হামলা-মামলা ও জেলজুলুম সহ্য করা নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ ভোটারের এ আসনে চা শ্রমিকদের ভোটই নির্ধারণ করবে জয়-পরাজয়।

মনোনয়নের দৌড়ে রয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি বর্ষীয়ান নেতা সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল, আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আমিনুল ইসলাম, সাবেক এমপি শাম্মী আক্তার ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী। এছাড়া সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানও লবিং করছেন।

অন্যদিকে জামায়াত তাদের একক প্রার্থী হিসেবে জেলা আমীর কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমানকে মাঠে নামিয়েছে। খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের ও জমিয়তের মাওলানা হেকিম নুরুজ্জামানও গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, আওয়ামী লীগ যদি দলীয়ভাবে নির্বাচনে না আসে তবে বিএনপির ভোট ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি এবং মাঠে জামায়াতের সংগঠিত তৎপরতা আসনটিতে চমক সৃষ্টি করতে পারে।

পাহাড়-টিলা, পর্যটন ও চা বাগানবেষ্টিত হবিগঞ্জ-৪ আসনের মোট ভোটার ৫ লাখ ৫০ হাজার ২৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৬ হাজার ৬০৭ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৫। নতুন প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য ভোটার এবার প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন, যা নির্বাচনী সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।