ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে যত্রতত্র ময়লার স্তূপ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo মাধবপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি Logo মাধবপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার-পাইপ ধ্বংস Logo ঐতিহ্যের টানে মুখর লাখাইয়ের বুল্লা বাজারের শুটকি-শীদলের হাট Logo মশাদিয়ায় খালের ওপর কালভার্ট না থাকায় দুর্ভোগে ১৮ পরিবারসহ শত শত মানুষ Logo জুমার গুরুত্বপূর্ণ আমল Logo যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ১০০ শতাংশ শুল্কের ঝুঁকিতে ভারত Logo পথ বন্ধ করে বাউন্ডারি নির্মাণ, ওসি-চেয়ারম্যানকে ইউএনওর চিঠি Logo মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ Logo মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী সোহেল সিনেমা এখন কালের সাক্ষী

৫০ লাখ টাকায়ও হয়নি ডাকবাংলোর কোনো কাজ, ফের কোটি টাকা বরাদ্দ

জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক জানিয়েছে, ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জেলা পরিষদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান।

দুদক জানায়, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ডাকবাংলো ও সড়ক নির্মাণ, কম্বল বিতরণ, বাউন্ডারি ওয়াল, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, স্বাধীনতা মঞ্চ, মসজিদ-মন্দির নির্মাণসহ ২০ টি প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে আসে সংস্থাটি। এসব অভিযোগের মধ্যে ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলো নির্মাণে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ না করে পুনরায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ পায় দুদক। এছাড়াও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা শিকদার, সাবেক প্রধান নির্বাহী শামীম হোসেনসহ অন্যান্য ৭ কর্মকর্তা ও পরিষদের সদস্যদের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে ৭ জন সাবেক কর্মকর্তাসহ ২০টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কিছু অসঙ্গতি ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, ভেদরগঞ্জ ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমন বরাদ্দ কোনো প্রক্রিয়ায় এসেছে, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।

প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টিকে আমাদের কাছে অনিয়ম মনে হয়েছে। এসব বিষয় নিরীক্ষা করে আমরা কমিশনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে যত্রতত্র ময়লার স্তূপ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

error:

৫০ লাখ টাকায়ও হয়নি ডাকবাংলোর কোনো কাজ, ফের কোটি টাকা বরাদ্দ

আপডেট সময় ০৫:১৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক জানিয়েছে, ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জেলা পরিষদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান।

দুদক জানায়, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ডাকবাংলো ও সড়ক নির্মাণ, কম্বল বিতরণ, বাউন্ডারি ওয়াল, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, স্বাধীনতা মঞ্চ, মসজিদ-মন্দির নির্মাণসহ ২০ টি প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে আসে সংস্থাটি। এসব অভিযোগের মধ্যে ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলো নির্মাণে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ না করে পুনরায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ পায় দুদক। এছাড়াও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা শিকদার, সাবেক প্রধান নির্বাহী শামীম হোসেনসহ অন্যান্য ৭ কর্মকর্তা ও পরিষদের সদস্যদের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে ৭ জন সাবেক কর্মকর্তাসহ ২০টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কিছু অসঙ্গতি ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, ভেদরগঞ্জ ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমন বরাদ্দ কোনো প্রক্রিয়ায় এসেছে, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।

প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টিকে আমাদের কাছে অনিয়ম মনে হয়েছে। এসব বিষয় নিরীক্ষা করে আমরা কমিশনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।