ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কলেজছাত্রের বানানো ‘গো-কার্ট’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা Logo সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ Logo লাখাইয়ে বিএনপি নেতা ছুরে রহমানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার পাওয়া তিন শ্রীলঙ্কান ফিরে গেছেন

শ্রীলঙ্কান নাগরিক পাথিরানা ও মালাভি পাথিরানা(ডানে)

ব্যবসার সম্ভাবনা দেখতে বাংলাদেশে এসে জিম্মি হয়ে পড়া তিন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা আজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন বলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা  জানিয়েছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা বাগেরহাটের একটি এলাকা থেকে বুধবার দিবাগত রাতে তাদের উদ্ধার করা হয়।

ওই তিন শ্রীলঙ্কান হলেন মালাভি পাথিরানা, তার স্ত্রী পাথিরানা, থুপ্পি মুদিইয়ান সেল্যাগ নীল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি মো. রেজাউল হক জানান, বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকার শহিদুল শেখ নামে এক ব্যক্তির আমন্ত্রণে তারা বাংলাদেশে এসেছিলেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ বিবিসি বাংলাকে জানান, তারা অ্যাকুরিয়াম ফিসের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

“ফরিদপুরে অ্যাকুরিয়াম ফিস উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান দেখানোর কথা বলে তাদের আমন্ত্রণ জানান শহিদুল শেখ,” বলেন মি. আরিফ।

গত ২২শে এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছান তারা। রাতে তাদের বাগেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডিআইজি মি. হক জানান, “বাগেরহাটে এনে তাদের কাছে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। তারা এতো টাকা দিতে পারবে না বলে জানায়, তখন অপহরণকারীরা শ্রীলঙ্কায় তাদের (জিম্মিদের) পরিবারের কাছে ফোন করে থেকে মুক্তিপণ দাবি করেন। বাংলাদেশের একটি নম্বর থেকে এ মুক্তিপণ দাবি করা হয়।”

“আড়াই কোটি টাকার মুক্তিপণ প্রদানে রাজি হওয়ায় তাদের মধ্যে মৌখিক চুক্তি হয়,” যোগ করেন তিনি।

পরে পরিবার থেকে হাইকমিশনের মারফতে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুলিশ অভিযান চালায়।

এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আনার চেষ্টা করা হয় বলেও জানান মি. হক।

তারা চারটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার পাঠিয়েছিল জিম্মিদের পরিবারকে,” যোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় চার জনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন – কাজী এমদাদ হোসেন, শহিদুল শেখ ও জনি শেখ এবং এস এম সামসুল আলম।

শুক্রবার পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক রেজাউল হক জানান, এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

“আটককৃতদের মধ্যে তিনজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় একটি জবানবন্দি দিয়েছেন,” বলেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজছাত্রের বানানো ‘গো-কার্ট’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

error:

বাংলাদেশে জিম্মি দশা থেকে উদ্ধার পাওয়া তিন শ্রীলঙ্কান ফিরে গেছেন

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫

ব্যবসার সম্ভাবনা দেখতে বাংলাদেশে এসে জিম্মি হয়ে পড়া তিন শ্রীলঙ্কান নাগরিককে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা আজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন বলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা  জানিয়েছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা বাগেরহাটের একটি এলাকা থেকে বুধবার দিবাগত রাতে তাদের উদ্ধার করা হয়।

ওই তিন শ্রীলঙ্কান হলেন মালাভি পাথিরানা, তার স্ত্রী পাথিরানা, থুপ্পি মুদিইয়ান সেল্যাগ নীল।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পুলিশের খুলনা রেঞ্জের উপ মহাপরিদর্শক বা ডিআইজি মো. রেজাউল হক জানান, বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকার শহিদুল শেখ নামে এক ব্যক্তির আমন্ত্রণে তারা বাংলাদেশে এসেছিলেন।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ বিবিসি বাংলাকে জানান, তারা অ্যাকুরিয়াম ফিসের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

“ফরিদপুরে অ্যাকুরিয়াম ফিস উৎপাদনের প্রতিষ্ঠান দেখানোর কথা বলে তাদের আমন্ত্রণ জানান শহিদুল শেখ,” বলেন মি. আরিফ।

গত ২২শে এপ্রিল ঢাকায় পৌঁছান তারা। রাতে তাদের বাগেরহাটে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডিআইজি মি. হক জানান, “বাগেরহাটে এনে তাদের কাছে পাঁচ কোটি টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। তারা এতো টাকা দিতে পারবে না বলে জানায়, তখন অপহরণকারীরা শ্রীলঙ্কায় তাদের (জিম্মিদের) পরিবারের কাছে ফোন করে থেকে মুক্তিপণ দাবি করেন। বাংলাদেশের একটি নম্বর থেকে এ মুক্তিপণ দাবি করা হয়।”

“আড়াই কোটি টাকার মুক্তিপণ প্রদানে রাজি হওয়ায় তাদের মধ্যে মৌখিক চুক্তি হয়,” যোগ করেন তিনি।

পরে পরিবার থেকে হাইকমিশনের মারফতে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুলিশ অভিযান চালায়।

এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা থেকে ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা আনার চেষ্টা করা হয় বলেও জানান মি. হক।

তারা চারটা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার পাঠিয়েছিল জিম্মিদের পরিবারকে,” যোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় চার জনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন – কাজী এমদাদ হোসেন, শহিদুল শেখ ও জনি শেখ এবং এস এম সামসুল আলম।

শুক্রবার পুলিশের উপ মহাপরিদর্শক রেজাউল হক জানান, এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

“আটককৃতদের মধ্যে তিনজন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় একটি জবানবন্দি দিয়েছেন,” বলেন তিনি।