
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে হবিগঞ্জের মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার চা বাগানগুলোতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করতে চা শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল ও সায়হাম নিট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। বৃহস্পতিবার তাঁরা চা বাগানসহ বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিল্পপ্রতিষ্ঠান সায়হামের নিজস্ব তহবিল থেকে চা বাগানসহ ২০৩টি পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক বজায় রেখে চা শ্রমিকদের পূজার আনন্দে অংশীদার করতেই এ সহায়তা দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পাশাপাশি সরকারি অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
গত কয়েক দিন ধরে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করে পূজা উপলক্ষে বিভিন্ন সভা, শুভেচ্ছা বিনিময় ও অনুদান বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর ও পরিবারের সহযোগিতায় মাধবপুর ও চুনারুঘাটে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চা শ্রমিক নেতা দীপক কর্মকার বলেন, চা বাগানের শ্রমিকেরা প্রতিবছর উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করেন। এ বছর সরকারি অনুদানের পাশাপাশি সায়হাম কোম্পানি পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এতে শ্রমিকদের আনন্দ আরও বেড়েছে। এখন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে পূজার উৎসব চলছে।
তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাসিন্দা হেমন্ত পান বলেন, পূজা উপলক্ষে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সল ও তাঁর ছেলে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ চা শ্রমিকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন। তাঁরা বাগানে এসে শ্রমিকদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং কারও সমস্যা থাকলে তা সমাধানের চেষ্টা করছেন। এ বছর আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হচ্ছে।
চা বাগানগুলোতে পূজা উপলক্ষে চলছে সাজসজ্জা ও নানা আয়োজন। বিজয়া দশমী পর্যন্ত এ উৎসবের আমেজ অব্যাহত থাকবে। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে সহযোগিতা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের এমন উদ্যোগ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
বার্তা প্রেরক: মো. আইয়ুব খান
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















