
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ‘হাজারী ফিশারী প্রজেক্ট’-এর পুকুরের মাছ অনুমতি ছাড়া ধরে বিক্রি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন প্রজেক্টের লিজগ্রহীতা সুলেমান হাজারী। এ ঘটনায় প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের মিঠাপুর এলাকায় মিঠাপুকুর-পূর্বের জাঙ্গাল সড়কসংলগ্ন প্রজেক্টের পুকুরপাড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সুলেমান হাজারীর অভিযোগ, তিনি স্বপন মিয়ার প্রায় ১৯৬ শতাংশের একটি পুকুর পাঁচ বছরের জন্য লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। তিনি ও তাঁর ছোট ভাই জেলহাজতে থাকার সুযোগে লিজের মেয়াদ থাকা অবস্থায় তাঁর অনুমতি ছাড়াই পুকুরটি অন্যত্র লিজ দেওয়া হয়। পরে স্বপন মিয়ার নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি পুকুরের মাছ ধরে বাজারে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সুলেমান হাজারী আরও দাবি করেন, পুকুরের মাছ ধরে বিক্রির ঘটনায় তাঁর প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তাঁকে গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় সুলেমান হাজারী মাধবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে, পুকুরের মালিক স্বপন মিয়া বলেন, তিনি মৌখিকভাবে সুলেমান হাজারীকে পুকুরটি লিজ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে কোনো লিখিত দলিল দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, মৌখিক লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পুকুরটি অন্যত্র লিজ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

















