ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক ওভারে ৬ ছক্কা, টানা ৭ বলে ৭ ছক্কা মেরেও হারল বাংলাদেশ Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo মাধবপুরে গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমার চুরি, সেচ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা Logo লাখাইয়ে কিশোরকণ্ঠ মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় অংশ নিল ২২০ শিক্ষার্থী Logo হবিগঞ্জে দুই হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo লাখাইয়ে স্ত্রীর ও বোনের করা পৃথক মামলায় দুইজন গ্রেফতার Logo আগামীকাল হাইমচর সফরে আসছেন এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক Logo লাখাইয়ে কিশোরকণ্ঠ মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় অংশ নিল ২২০ শিক্ষার্থী Logo হবিগঞ্জে হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে সাড়ে তিন বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির কঙ্কাল, আটক চার

নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী গ্রেড-১-এর জন্য মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রজ্ঞাপন জারির চূড়ান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে আরও ৩৫ শতাংশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাই থেকে কার্যকর করার পাশাপাশি একই অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক ওভারে ৬ ছক্কা, টানা ৭ বলে ৭ ছক্কা মেরেও হারল বাংলাদেশ

error:

নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী গ্রেড-১-এর জন্য মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রজ্ঞাপন জারির চূড়ান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে আরও ৩৫ শতাংশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাই থেকে কার্যকর করার পাশাপাশি একই অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।