
হবিগঞ্জ শহরে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অনুমোদনের অতিরিক্ত শয্যায় রোগী ভর্তি, চিকিৎসাসেবায় অনিয়ম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ও মূল্য তালিকার চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের মতো অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার ও পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক তদারকি কমিটি এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
অভিযানে সূর্যমুখী জেনারেল হাসপাতাল-২-এ ১০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও ৩৬ শয্যায় রোগী ভর্তি রেখে সেবা দেওয়ার বিষয়টি পাওয়া যায়। এ ছাড়া চিকিৎসকের যোগ্যতা ও পদবি ব্যবহার, অপারেশনে সহযোগী চিকিৎসক না রাখা, অপারেশন থিয়েটারের পরিচ্ছন্নতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জীবাণুমুক্তকরণ এবং ফার্মেসি পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি পাঁচ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত শয্যা বন্ধ করে অনুমোদিত ১০ শয্যা চালু রাখার এবং এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, প্রদর্শিত মূল্য তালিকার চেয়ে বেশি টাকা আদায় এবং লাইসেন্স নবায়ন না থাকার বিষয়টি পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি এক মাসের মধ্যে ত্রুটিগুলো সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জনস্বার্থ রক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















