
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজে যাওয়ার পথে চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন সাদিয়া আক্তার শিমু (১৭) নামে এক কলেজছাত্রী। পরিবারের দাবি, এটি কোনো সড়ক দুর্ঘটনা নয়; বরং আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দেন তিনি।
আহত সাদিয়া আক্তার শিমু উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
প্রাথমিকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা হিসেবে প্রচার হলেও পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ভিন্ন তথ্য জানানো হয়েছে।
আহত ছাত্রীর চাচা জহির মিয়া জানান, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর বিশ্বরোড এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা হন সাদিয়া। তার দাবি, চালক একাই গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
পথে যাত্রীরা বারবার সংকেত দিলেও চালক গাড়ি থামাননি এবং কাউকে ওঠাননি। এতে সাদিয়ার মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। পরে বেজুড়া এলাকা অতিক্রম করার পর ভয় পেয়ে তিনি চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দেন।
এতে সাদিয়ার একটি হাত ভেঙে যায়। এছাড়া মাথা ও গলায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরবর্তীতে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, এটি কোনো সড়ক দুর্ঘটনা নয়; বরং আতঙ্কের কারণে চলন্ত সিএনজি থেকে লাফ দেওয়ার ঘটনা। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















