ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক Logo লাখাইয়ে ৮১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মাধবপুর ইউএনওর সরকারি গাড়ি Logo আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী Logo মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল অকেজো, কাজে আসছে না বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা Logo বৃন্দাবন চা বাগানে চা শ্রমিকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ Logo চা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী ‘কারাম উৎসব’ সম্পন্ন Logo লাখাইয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল রকিব Logo বুল্লা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছুর রহমানের ব্যাপক গণসংযোগ

কলেজে যাওয়ার পথে অচেতন কলেজছাত্রী, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি

জালাল উদ্দিন লস্কর,মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (প্রায় ১৭) নামে এক কলেজছাত্রী অচেতন হয়ে পড়েছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আক্তার শিমু মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় বাকসাইর এলাকায় চলন্ত সিএনজি থেকে তিনি ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান অথবা অন্য কোনোভাবে নিচে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তবে ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় সিএনজিতে তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তার কাছে থাকা কলেজের পরিচয়পত্র দেখে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আইডি কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে খবর পেয়ে শিমুর বাবা-মা হাসপাতালে এসে মেয়ের পাশে অবস্থান নেন। শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, “আল্লাহ আমার মেয়েকে বাঁচিয়েছেন, এজন্য শোকরিয়া। সে সুস্থ হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রোগী এখনো অচেতন রয়েছেন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা বা ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে ইভটিজিং ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

error:

কলেজে যাওয়ার পথে অচেতন কলেজছাত্রী, মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি

আপডেট সময় ০১:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর,মাধবপুর(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজে যাওয়ার পথে সাদিয়া আক্তার শিমু (প্রায় ১৭) নামে এক কলেজছাত্রী অচেতন হয়ে পড়েছেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। সাদিয়া আক্তার শিমু মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নারাইনপুর গ্রামের মোজাহিদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সৈয়দ সঈদ উদ্দীন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সিএনজি অটোরিকশাযোগে কলেজে যাওয়ার সময় বাকসাইর এলাকায় চলন্ত সিএনজি থেকে তিনি ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান অথবা অন্য কোনোভাবে নিচে পড়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তবে ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ওই সময় সিএনজিতে তার সঙ্গে অন্য কেউ ছিলেন কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

পথচারীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তার কাছে থাকা কলেজের পরিচয়পত্র দেখে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আইডি কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পরে খবর পেয়ে শিমুর বাবা-মা হাসপাতালে এসে মেয়ের পাশে অবস্থান নেন। শিমুর বাবা মোজাহিদ মিয়া বলেন, “আল্লাহ আমার মেয়েকে বাঁচিয়েছেন, এজন্য শোকরিয়া। সে সুস্থ হওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রোগী এখনো অচেতন রয়েছেন। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা বা ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।