ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের শাহজিবাজার বিট এলাকার একটি ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এতে পাহাড় ধসে সামাজিক বনায়নের গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহজিবাজার বিটের খেলার মাঠসংলগ্ন ছড়া থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের বেলায় বালু উত্তোলন করে ট্রাক্টরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বালু পরিবহনের রাস্তাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওই এলাকায় প্রায় ৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সামাজিক বনায়ন করা হয়। পরে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী ২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে বাগানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

রিয়াজনগর গ্রামের উপকারভোগী ও অভিযোগকারী আইয়ূব আলীর দাবি, নিয়মিত বালু উত্তোলনের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পাহাড় ধসে পড়ছে এবং বনায়নের গাছ উপড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে উপকারভোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আইয়ূব আলী আরও দাবি করেন, বালু উত্তোলন ও পাচারে শাহজিবাজার বিট কর্মকর্তার সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সিলেট ও জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগের পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁর।

তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে সামাজিক বনায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:০২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের শাহজিবাজার বিট এলাকার একটি ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এতে পাহাড় ধসে সামাজিক বনায়নের গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহজিবাজার বিটের খেলার মাঠসংলগ্ন ছড়া থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের বেলায় বালু উত্তোলন করে ট্রাক্টরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বালু পরিবহনের রাস্তাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওই এলাকায় প্রায় ৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সামাজিক বনায়ন করা হয়। পরে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী ২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে বাগানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

রিয়াজনগর গ্রামের উপকারভোগী ও অভিযোগকারী আইয়ূব আলীর দাবি, নিয়মিত বালু উত্তোলনের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পাহাড় ধসে পড়ছে এবং বনায়নের গাছ উপড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে উপকারভোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আইয়ূব আলী আরও দাবি করেন, বালু উত্তোলন ও পাচারে শাহজিবাজার বিট কর্মকর্তার সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সিলেট ও জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগের পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁর।

তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে সামাজিক বনায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।