ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা নয় Logo বাহুবলে জিরাবোঝাই ট্রাক আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা হেলালসহ আটক ২ Logo মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ Logo বালির নিচে লুকিয়ে ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিকস, মদ ও গাঁজা Logo বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ Logo লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বিল্লাল গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের পানির সংকট দূর করলেন সমাজসেবক আবিদ আলম Logo খাদ্যশস্যের মজুত বেড়ে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার টন, নিরাপদ সীমা ১৬ লাখ Logo আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে বুল্লা বাজারে কবির খাঁন চৌধুরীর গণসংযোগ

মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের শাহজিবাজার বিট এলাকার একটি ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এতে পাহাড় ধসে সামাজিক বনায়নের গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহজিবাজার বিটের খেলার মাঠসংলগ্ন ছড়া থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের বেলায় বালু উত্তোলন করে ট্রাক্টরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বালু পরিবহনের রাস্তাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওই এলাকায় প্রায় ৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সামাজিক বনায়ন করা হয়। পরে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী ২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে বাগানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

রিয়াজনগর গ্রামের উপকারভোগী ও অভিযোগকারী আইয়ূব আলীর দাবি, নিয়মিত বালু উত্তোলনের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পাহাড় ধসে পড়ছে এবং বনায়নের গাছ উপড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে উপকারভোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আইয়ূব আলী আরও দাবি করেন, বালু উত্তোলন ও পাচারে শাহজিবাজার বিট কর্মকর্তার সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সিলেট ও জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগের পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁর।

তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে সামাজিক বনায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা নয়

error:

মাধবপুরে বন বিভাগের ছড়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৪:০২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের শাহজিবাজার বিট এলাকার একটি ছড়া থেকে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এতে পাহাড় ধসে সামাজিক বনায়নের গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। দীর্ঘদিন ধরে এমন কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাহজিবাজার বিটের খেলার মাঠসংলগ্ন ছড়া থেকে একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের বেলায় বালু উত্তোলন করে ট্রাক্টরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বালু পরিবহনের রাস্তাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওই এলাকায় প্রায় ৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের সামাজিক বনায়ন করা হয়। পরে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা অনুযায়ী ২০ জন উপকারভোগীর মধ্যে বাগানটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

রিয়াজনগর গ্রামের উপকারভোগী ও অভিযোগকারী আইয়ূব আলীর দাবি, নিয়মিত বালু উত্তোলনের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই পাহাড় ধসে পড়ছে এবং বনায়নের গাছ উপড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে উপকারভোগীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আইয়ূব আলী আরও দাবি করেন, বালু উত্তোলন ও পাচারে শাহজিবাজার বিট কর্মকর্তার সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সিলেট ও জেলা প্রশাসক, হবিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগের পরও বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি বলে দাবি তাঁর।

তিনি অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে সামাজিক বনায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগীদের নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।