ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং পুনরায় ময়নাতদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজার প্রাঙ্গণের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সালমান শাহর মৃত্যুকে ঘিরে শুরু থেকেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহ ছিল। তার বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও মৃত্যুর আগে ঘটনাটিকে হত্যা হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুনরায় ময়নাতদন্তের উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের

আপডেট সময় ০৭:৪৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত এবং পুনরায় ময়নাতদন্তের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) মাজার প্রাঙ্গণের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গত বছরের ২১ অক্টোবর সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সালমান শাহর স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সালমান শাহর মৃত্যুকে ঘিরে শুরু থেকেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সন্দেহ ছিল। তার বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও মৃত্যুর আগে ঘটনাটিকে হত্যা হিসেবে তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে। বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে পুনরায় ময়নাতদন্তের উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।