ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবককে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পিতা-পুত্রসহ আহত একাধিক Logo লাখাইয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি Logo ৭২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মাধবপুরে পুলিশের অভিযান Logo গায়ক আসিফ আকবর গ্রেফতার Logo স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে এমপি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, কঠোর অবস্থানে বিজিবি Logo মাধবপুরে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo মাধবপুরে চুরির অভিযোগে যুবকের মাথা ন্যাড়া, আঁকা হলো আর্জেন্টিনার পতাকা Logo চুনারুঘাটে বসতঘর থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ

সরকারি বই আত্মসাতের মামলা এখন দুদকের হাতে: লাখাইয়ের করাব মাদ্রাসার ৭ শিক্ষক পলাতক

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সরকারি বই পাচার মামলার আসামি ৭ শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাভাবিক পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ মে গভীর রাতে করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে সরকারি বই পাচারের সময় স্থানীয় জনতা একটি বইবোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন—মুফতি রফিকুল ইসলাম (৫৭), নুরুল হক চৌধুরী (৫৮), মোঃ আব্বাছ উদ্দিন (৩৯), নজির আহমদ (৫২), আবু তালেব (৩৭), হাসানুল হক (৪২) এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন (৪০)।

মামলা দায়েরের পর থেকেই এই ৭ শিক্ষক মাদ্রাসায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রয়েছেন। একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সরকারি বই আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলাটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্তাধীন রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সংকট নিরসন করে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ১ম শ্রেণির ৬ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গণধোলাইয়ের পর বখাটে পুলিশে সোপর্দ

সরকারি বই আত্মসাতের মামলা এখন দুদকের হাতে: লাখাইয়ের করাব মাদ্রাসার ৭ শিক্ষক পলাতক

আপডেট সময় ১১:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সরকারি বই পাচার মামলার আসামি ৭ শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাভাবিক পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ মে গভীর রাতে করাব রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে সরকারি বই পাচারের সময় স্থানীয় জনতা একটি বইবোঝাই পিকআপ ভ্যান আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে লাখাই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন—মুফতি রফিকুল ইসলাম (৫৭), নুরুল হক চৌধুরী (৫৮), মোঃ আব্বাছ উদ্দিন (৩৯), নজির আহমদ (৫২), আবু তালেব (৩৭), হাসানুল হক (৪২) এবং মোঃ ইসমাইল হোসেন (৪০)।

মামলা দায়েরের পর থেকেই এই ৭ শিক্ষক মাদ্রাসায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিত রয়েছেন। একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় রুটিন অনুযায়ী ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়াশোনা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “একসঙ্গে এতজন শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সরকারি বই আত্মসাৎ ও পাচারের এই মামলাটি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর তদন্তাধীন রয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত সংকট নিরসন করে মাদ্রাসার স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।