ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারে আসছে বিশেষ বরাদ্দ

দেশের উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হবে।

জানা গেছে, প্রত্যেক সংসদ সদস্য তার নিজ এলাকার অবকাঠামো সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ডিও লেটারের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। একজন এমপি সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের প্রস্তাব দিতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ২ হাজার ৭০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, তালিকা পাওয়ার পর প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যেই প্রকল্পটি অনুমোদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী জানান, বঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে হয়েছে এবং বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের ছুটির পর প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে পারে।

এছাড়া স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জরুরি সংস্কার, নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় হাজারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, ভবন সম্প্রসারণ, কারিগরি ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন এবং মাদরাসা অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারে আসছে বিশেষ বরাদ্দ

আপডেট সময় ০১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

দেশের উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে উন্নয়নবঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হবে।

জানা গেছে, প্রত্যেক সংসদ সদস্য তার নিজ এলাকার অবকাঠামো সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ডিও লেটারের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। একজন এমপি সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ এবং ছয়টি প্রতিষ্ঠানে সংস্কারকাজের প্রস্তাব দিতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় ২ হাজার ৭০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারকাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, তালিকা পাওয়ার পর প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার মধ্যেই প্রকল্পটি অনুমোদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী জানান, বঞ্চিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে হয়েছে এবং বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের ছুটির পর প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হতে পারে।

এছাড়া স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের জরুরি সংস্কার, নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় হাজারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ, ভবন সম্প্রসারণ, কারিগরি ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের আধুনিকায়ন এবং মাদরাসা অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে বলে জানা গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।