
বাংলার খবর ডেস্ক আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে জামায়াত জোট প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন আলোচনা চলছে। মাঠপর্যায়ে প্রচারণা নিয়ে মিশ্র চিত্র দেখা গেলেও বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিশের প্রার্থী আহমদ আবদুল কাদের দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্থানীয়ভাবে তার প্রচারণা তুলনামূলকভাবে কম দৃশ্যমান—এমন মন্তব্য শোনা গেলেও জোটের শরিক নেতারা বিষয়টি ভিন্নভাবে দেখছেন।
খেলাফত মজলিশ হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি আফতাব উদ্দিন বলেন, “মাঠে প্রচারণার ভিন্ন চিত্র দেখা গেলেও আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সহযোগিতা পাচ্ছি। জোটগতভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে এবং নেতাকর্মীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করছেন।”
অন্যদিকে, মাঠে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাধবপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের। তিনি বলেন, “আমরা কোনোভাবেই প্রচারণার বাইরে নেই। আগেও প্রচারে ছিলাম, এখনও দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠে কাজ করছি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের নিষ্ক্রিয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”
তবে স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ বলছেন, বড় জোটের প্রার্থী হলে যেভাবে দৃশ্যমান প্রচারণা থাকার কথা, বাস্তবে তার পুরো প্রতিফলন এখনো চোখে পড়েনি। হাটবাজার, চায়ের দোকান ও গ্রামাঞ্চলের আলোচনায় বিষয়টি উঠে আসছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের মিশ্র পরিস্থিতিতে ভোটের ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করবে শেষ মুহূর্তের মাঠপর্যায়ের তৎপরতার ওপর। শক্ত সাংগঠনিক উপস্থিতি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে না পারলে জামায়াত জোট প্রার্থীর জন্য ভোটের লড়াই কঠিন হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কাও করছেন অনেকে।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই স্পষ্ট হবে—জোটের সমন্বিত প্রচেষ্টা কতটা কার্যকরভাবে মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















