ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

জোটগত সিদ্ধান্তে প্রার্থী পরিবর্তন, সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা অলিউল্লাহ নোমানের

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অলিউল্লাহ নোমান। দলীয়ভাবে তাকে মনোনয়নও দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে জোটগত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের কারণে প্রার্থী পরিবর্তন হওয়ায় তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

এই প্রেক্ষাপটে সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অলিউল্লাহ নোমান বলেন, নির্বাচনী মাঠে নামার সিদ্ধান্তটি ছিল মানুষের প্রতি ভালবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকে। কিন্তু বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য ও জোটের স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে অনেক কর্মী ও সমর্থক কষ্ট পেয়েছেন—বিশেষ করে যারা দিনরাত মাঠে থেকে পরিশ্রম করেছেন। তাদের অনুভূতি তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেন এবং সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

অলিউল্লাহ নোমান জানান, ছাত্রজীবন থেকেই মাধবপুর ও চুনারুঘাট এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক গভীর। ঢাকায় অধ্যয়নকালে এলাকার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার হিসাব কখনো তার রাজনীতির অংশ ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাচনী প্রস্তুতির সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষাধিক মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও করমর্দনের সুযোগ হয়েছে। মানুষের দুঃখ-কষ্ট শুনে তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছাই তার রাজনীতির মূল দর্শন।

তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের চেয়ে মানুষের খাদেম হওয়ার মানসিকতা নিয়েই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরিচ্ছন্ন ও মানবিক রাজনীতির মাধ্যমে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করাই ছিল তার লক্ষ্য।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের প্রসংশা করে অলিউল্লাহ নোমান বলেন, আদর্শ, সততা ও নিঃস্বার্থ পরিশ্রমের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই কর্মীবাহিনী দেশের ভবিষ্যতের জন্য আশার প্রতীক।

সবশেষে তিনি বলেন, তিনি হতাশ নন। আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ভবিষ্যতে যেখান থেকেই সম্ভব দেশ, জাতি এবং মাধবপুর–চুনারুঘাট এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে সবার দোয়া কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

জোটগত সিদ্ধান্তে প্রার্থী পরিবর্তন, সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা অলিউল্লাহ নোমানের

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অলিউল্লাহ নোমান। দলীয়ভাবে তাকে মনোনয়নও দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে জোটগত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের কারণে প্রার্থী পরিবর্তন হওয়ায় তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

এই প্রেক্ষাপটে সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অলিউল্লাহ নোমান বলেন, নির্বাচনী মাঠে নামার সিদ্ধান্তটি ছিল মানুষের প্রতি ভালবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকে। কিন্তু বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য ও জোটের স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্তে অনেক কর্মী ও সমর্থক কষ্ট পেয়েছেন—বিশেষ করে যারা দিনরাত মাঠে থেকে পরিশ্রম করেছেন। তাদের অনুভূতি তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেন এবং সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।

অলিউল্লাহ নোমান জানান, ছাত্রজীবন থেকেই মাধবপুর ও চুনারুঘাট এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক গভীর। ঢাকায় অধ্যয়নকালে এলাকার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তিনি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার হিসাব কখনো তার রাজনীতির অংশ ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাচনী প্রস্তুতির সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষাধিক মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও করমর্দনের সুযোগ হয়েছে। মানুষের দুঃখ-কষ্ট শুনে তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করার ইচ্ছাই তার রাজনীতির মূল দর্শন।

তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের চেয়ে মানুষের খাদেম হওয়ার মানসিকতা নিয়েই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরিচ্ছন্ন ও মানবিক রাজনীতির মাধ্যমে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করাই ছিল তার লক্ষ্য।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মীদের প্রসংশা করে অলিউল্লাহ নোমান বলেন, আদর্শ, সততা ও নিঃস্বার্থ পরিশ্রমের মাধ্যমে গড়ে ওঠা এই কর্মীবাহিনী দেশের ভবিষ্যতের জন্য আশার প্রতীক।

সবশেষে তিনি বলেন, তিনি হতাশ নন। আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ভবিষ্যতে যেখান থেকেই সম্ভব দেশ, জাতি এবং মাধবপুর–চুনারুঘাট এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রয়োজনে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানিয়ে সবার দোয়া কামনা করেন।