ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক
উন্নয়নর প্রতিশ্রুতি ও বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

হবিগঞ্জ–৪ আসনে সৈয়দ মোঃ ফয়সলের গণজোয়ার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জননেতা সৈয়দ মোঃ ফয়সলের সমর্থনে আন্দিউড়া ইউনিয়নে নির্বাচনী গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে আন্দিউড়া চকবাজারে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি কাইয়ুম মেম্বারের সভাপতিত্বে এ নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, নির্বাচিত হলে মাধবপুর–চুনারুঘাটকে একটি “মডেল উপজেলা” হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে পাশে থাকতে চাই। উন্নয়ন, সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম প্রতিশ্রুতি।”

তিনি পাঁচটি মূল প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন—
১) বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান,
২) আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা,
৩) শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন,
৪) আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা,
৫) সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

একই সঙ্গে সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, “মাধবপুর–চুনারুঘাটে কোনো চাঁদাবাজি ও অত্যাচার চলতে দেওয়া হবে না। সুন্দর সমাজ গড়তে ভালো মানুষ প্রয়োজন—আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করব।”

সভায় বক্তব্য দেন—
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান,
উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু,
পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি,
যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফজলে ইমাম সুমন ও মোস্তফা কামাল বাবুল,
মুত্তাকিন চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
বক্তারা সবাই ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন।

সভায় বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা তুলে ধরে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, “৩১ দফা হলো জনগণের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জাতীয় অঙ্গীকার।” তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়—মানুষের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নির্বাচনে এসেছেন। “আমার কোনো পদ-পদবি চাই না। আমার একমাত্র লক্ষ্য আপনাদের পূর্ণাঙ্গ সেবা করা। আপনারাই আমার শক্তি।”

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—
• দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ,
• স্থানীয় পর্যায়ে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন,
• প্রতিটি স্কুলে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ,
• গরিব ও মেধাবীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি।

বেকারত্বকে “এলাকার সবচেয়ে বড় সংকট” উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যুবকদের যোগ্যতা আছে, স্বপ্ন আছে, কিন্তু সুযোগ নেই।” তিনি কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করেন।

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “ফসল ফলায় কৃষক—ফলের প্রকৃত মূল্যও তাদের হাতেই পৌঁছাতে হবে।” তিনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ভেঙে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সনাতন ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা রাজনৈতিক দায়িত্বের চেয়ে বড়—এটি মানবিক নৈতিকতা। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।”

সভা শেষে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

উন্নয়নর প্রতিশ্রুতি ও বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

হবিগঞ্জ–৪ আসনে সৈয়দ মোঃ ফয়সলের গণজোয়ার

আপডেট সময় ০৯:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জ–৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জননেতা সৈয়দ মোঃ ফয়সলের সমর্থনে আন্দিউড়া ইউনিয়নে নির্বাচনী গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার রাতে আন্দিউড়া চকবাজারে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি কাইয়ুম মেম্বারের সভাপতিত্বে এ নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, নির্বাচিত হলে মাধবপুর–চুনারুঘাটকে একটি “মডেল উপজেলা” হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে পাশে থাকতে চাই। উন্নয়ন, সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম প্রতিশ্রুতি।”

তিনি পাঁচটি মূল প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেন—
১) বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান,
২) আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা,
৩) শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন,
৪) আইন-শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা,
৫) সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

একই সঙ্গে সন্ত্রাস, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দেন তিনি। তিনি বলেন, “মাধবপুর–চুনারুঘাটে কোনো চাঁদাবাজি ও অত্যাচার চলতে দেওয়া হবে না। সুন্দর সমাজ গড়তে ভালো মানুষ প্রয়োজন—আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করব।”

সভায় বক্তব্য দেন—
সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান,
উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু,
পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি,
যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফজলে ইমাম সুমন ও মোস্তফা কামাল বাবুল,
মুত্তাকিন চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
বক্তারা সবাই ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দেন।

সভায় বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা তুলে ধরে সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, “৩১ দফা হলো জনগণের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার জাতীয় অঙ্গীকার।” তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়—মানুষের সেবা করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নির্বাচনে এসেছেন। “আমার কোনো পদ-পদবি চাই না। আমার একমাত্র লক্ষ্য আপনাদের পূর্ণাঙ্গ সেবা করা। আপনারাই আমার শক্তি।”

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—
• দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ,
• স্থানীয় পর্যায়ে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন,
• প্রতিটি স্কুলে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ,
• গরিব ও মেধাবীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি।

বেকারত্বকে “এলাকার সবচেয়ে বড় সংকট” উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যুবকদের যোগ্যতা আছে, স্বপ্ন আছে, কিন্তু সুযোগ নেই।” তিনি কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করেন।

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “ফসল ফলায় কৃষক—ফলের প্রকৃত মূল্যও তাদের হাতেই পৌঁছাতে হবে।” তিনি মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ভেঙে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সনাতন ও মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা রাজনৈতিক দায়িত্বের চেয়ে বড়—এটি মানবিক নৈতিকতা। ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।”

সভা শেষে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করেন।