ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

আপডেট সময় ১১:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।