ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

আপডেট সময় ১১:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।