ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন Logo ঈদের আগে উপজেলা, পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ Logo মানবতার সেবায় ‘সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’: মৌলভীবাজারে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোঃ সোহেল রানা Logo চৌমুহনী বাজার সংলগ্ন ভাড়াটিয়া বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, দুই শিক্ষিকার বাসা তছনছ Logo মাধবপুরে পুলিশের মোটরসাইকেলের সামান্য ধাক্কা লাগায় রিকশাচালক আটক, পরে হস্তক্ষেপে মুক্তি

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

error:

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরবে কি না রায় কাল

আপডেট সময় ১১:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আগামীকাল বৃহস্পতিবার রায় দিতে যাচ্ছে। সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়কে ঘিরে উদ্ভূত আপিলের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ। আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় মামলাটি রায়ের জন্য ১ নম্বরে রয়েছে।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন ২০ নভেম্বর।

২০১০ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। সাত বিচারপতির মধ্যে চারজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে এই রায় হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পরের বছর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। একই বছরের ২৫ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিক—সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন মামলায় পক্ষভুক্ত হন।

২৭ আগস্ট রিভিউ শুনানি শুরুর পর আদালত সিদ্ধান্ত দেয়—রিভিউ নয়, আপিল হিসেবেই শুনানি চলবে। এরপর ২৬ আগস্ট থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি সরকারের সময়ে ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে রিট দায়ের করেন তিন আইনজীবী। ২০০৪ সালে হাইকোর্ট সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে ২০০৫ সালে আপিল হয়, যার ওপর ২০১০ সালে চূড়ান্ত রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল ঘোষণা করে আপিল বিভাগ।

এখন দেখার বিষয়—আগামীকাল আপিল বিভাগ কী সিদ্ধান্ত দেয়।