ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

ঢাকায় মাধবপুর উপজেলা আ.লীগ নেতা আপন গ্রেপ্তার

বাংলার খবর ডেস্ক : রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২নং চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. হেলালউদ্দিন ভূইয়া জানান, আপন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যবিরোধী একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপির মিরপুর মডেল থানায় ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এফআইআর নম্বর ছিল ৩৭। সেখানে দণ্ডবিধির ৩০২, ১৪৯, ১১৪, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

মোহাম্মদ আপন মিয়ার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে। তার বাবার নাম আমীর হোসেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং পূর্বে চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। এদিকে এলাকায় তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যেকোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

ঢাকায় মাধবপুর উপজেলা আ.লীগ নেতা আপন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:২০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক : রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২নং চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. হেলালউদ্দিন ভূইয়া জানান, আপন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যবিরোধী একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডিএমপির মিরপুর মডেল থানায় ২০২৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এফআইআর নম্বর ছিল ৩৭। সেখানে দণ্ডবিধির ৩০২, ১৪৯, ১১৪, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

মোহাম্মদ আপন মিয়ার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে। তার বাবার নাম আমীর হোসেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং পূর্বে চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। এদিকে এলাকায় তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে যেকোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।