ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

৫০ লাখ টাকায়ও হয়নি ডাকবাংলোর কোনো কাজ, ফের কোটি টাকা বরাদ্দ

জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক জানিয়েছে, ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জেলা পরিষদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান।

দুদক জানায়, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ডাকবাংলো ও সড়ক নির্মাণ, কম্বল বিতরণ, বাউন্ডারি ওয়াল, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, স্বাধীনতা মঞ্চ, মসজিদ-মন্দির নির্মাণসহ ২০ টি প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে আসে সংস্থাটি। এসব অভিযোগের মধ্যে ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলো নির্মাণে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ না করে পুনরায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ পায় দুদক। এছাড়াও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা শিকদার, সাবেক প্রধান নির্বাহী শামীম হোসেনসহ অন্যান্য ৭ কর্মকর্তা ও পরিষদের সদস্যদের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে ৭ জন সাবেক কর্মকর্তাসহ ২০টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কিছু অসঙ্গতি ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, ভেদরগঞ্জ ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমন বরাদ্দ কোনো প্রক্রিয়ায় এসেছে, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।

প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টিকে আমাদের কাছে অনিয়ম মনে হয়েছে। এসব বিষয় নিরীক্ষা করে আমরা কমিশনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

৫০ লাখ টাকায়ও হয়নি ডাকবাংলোর কোনো কাজ, ফের কোটি টাকা বরাদ্দ

আপডেট সময় ০৫:১৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি, শরীয়তপুর:
শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযান শেষে দুদক জানিয়েছে, ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জেলা পরিষদ।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান।

দুদক জানায়, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ডাকবাংলো ও সড়ক নির্মাণ, কম্বল বিতরণ, বাউন্ডারি ওয়াল, বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল, স্বাধীনতা মঞ্চ, মসজিদ-মন্দির নির্মাণসহ ২০ টি প্রকল্পের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে আসে সংস্থাটি। এসব অভিযোগের মধ্যে ভেদরগঞ্জের ডাকবাংলো নির্মাণে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ না করে পুনরায় এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রাথমিক প্রমাণ পায় দুদক। এছাড়াও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা শিকদার, সাবেক প্রধান নির্বাহী শামীম হোসেনসহ অন্যান্য ৭ কর্মকর্তা ও পরিষদের সদস্যদের বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পায় দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে শরীয়তপুর জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এখানে ৭ জন সাবেক কর্মকর্তাসহ ২০টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্দে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কিছু অসঙ্গতি ইতোমধ্যে আমরা পেয়েছি। আপনারা জেনে অবাক হবেন যে, ভেদরগঞ্জ ডাকবাংলোর নামে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ হলেও কোনো কাজ না করে ফের এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমন বরাদ্দ কোনো প্রক্রিয়ায় এসেছে, তা আমরা তদন্ত করে দেখব।

প্রাথমিকভাবে এই বিষয়টিকে আমাদের কাছে অনিয়ম মনে হয়েছে। এসব বিষয় নিরীক্ষা করে আমরা কমিশনের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। কমিশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।