ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কলেজছাত্রের বানানো ‘গো-কার্ট’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, দেশজুড়ে সতর্কতা Logo সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ Logo লাখাইয়ে বিএনপি নেতা ছুরে রহমানের মৃত্যুতে শোকসভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ

গাজায় পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির সময় ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূখণ্ডে ফিরছে। পুরাতন ছবি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ

কলেজছাত্রের বানানো ‘গো-কার্ট’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

error:

গাজায় পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

আপডেট সময় ১০:২৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।