ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ে বসতঘরের টাইলস খুঁড়ে ১৪ পদ্মগোখরা ও ২৮ ডিম উদ্ধার Logo অপ্রতিম হত্যা: শোকের মধ্যেই বাবা-মাকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকি Logo মাধবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি, সরকারি চাকরিজীবীদেরও মিলতে পারে দীর্ঘ ছুটি Logo পুলিশকে গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগের সম্পৃক্তদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ Logo উচ্চ মাধ্যমিকে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তিতে বড় ধস, সংকটের কারণ নিয়ে প্রশ্ন Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে নৈমিত্তিক চুরি, দ্রুত সিসি ক্যামেরা সচলের দাবি Logo বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে বাঘাসুরা ইউনিয়ন আ.লীগের সহসভাপতি তাজুল Logo ধর্মঘরে মাদক ও দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতামূলক পথযাত্রা Logo লাখাইয়ে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ উদযাপনে পূজা মণ্ডপ কমিটি ও বিএনপির মতবিনিময়

গাজায় পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির সময় ফিলিস্তিনিরা নিজ ভূখণ্ডে ফিরছে। পুরাতন ছবি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে বসতঘরের টাইলস খুঁড়ে ১৪ পদ্মগোখরা ও ২৮ ডিম উদ্ধার

error:

গাজায় পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা

আপডেট সময় ১০:২৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।