ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক ওভারে ৬ ছক্কা, টানা ৭ বলে ৭ ছক্কা মেরেও হারল বাংলাদেশ Logo মাধবপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা Logo মাধবপুরে গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমার চুরি, সেচ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা Logo লাখাইয়ে কিশোরকণ্ঠ মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় অংশ নিল ২২০ শিক্ষার্থী Logo হবিগঞ্জে দুই হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo লাখাইয়ে স্ত্রীর ও বোনের করা পৃথক মামলায় দুইজন গ্রেফতার Logo আগামীকাল হাইমচর সফরে আসছেন এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক Logo লাখাইয়ে কিশোরকণ্ঠ মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় অংশ নিল ২২০ শিক্ষার্থী Logo হবিগঞ্জে হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে সাড়ে তিন বছর পর সেফটিক ট্যাংকে মিলল নিখোঁজ ব্যক্তির কঙ্কাল, আটক চার

শতভাগ ছানিমুক্ত নোয়াপাড়া ইউনিয়ন গড়তে চক্ষু চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কর্মশালা

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নকে পর্যায়ক্রমে শতভাগ ছানিমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাসেবা, রোগী শনাক্তকরণ, রেজিস্ট্রেশন এবং কর্নিয়া স্থাপনের জন্য উপযুক্ত রোগীদের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে স্থানান্তর বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোয়াপাড়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে এবং মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কবির হোসেন।

কর্মশালার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট ম্যানেজার রাজিয়া সুলতানা। মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন অপ্টোমেট্রিস্ট আব্দুল বাতেন তালুকদার।

কর্মশালায় নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের কর্মীসহ মোট ২৬ জন অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন চক্ষু রোগ শনাক্তকরণ, রোগীদের রেজিস্ট্রেশন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং ছানি অপারেশন ও কর্নিয়া স্থাপনের জন্য উপযুক্ত রোগীদের সংশ্লিষ্ট চক্ষু হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দৃষ্টিজনিত সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনার মাধ্যমে নোয়াপাড়া ইউনিয়নকে পর্যায়ক্রমে শতভাগ ছানিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তারা আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে চক্ষু রোগী শনাক্ত করা গেলে অনেক রোগী দ্রুত চিকিৎসাসেবার আওতায় আসবেন। এর ফলে দৃষ্টিজনিত জটিলতা কমানোর পাশাপাশি ছানি আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে সনদ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সেট বিতরণ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক ওভারে ৬ ছক্কা, টানা ৭ বলে ৭ ছক্কা মেরেও হারল বাংলাদেশ

error:

শতভাগ ছানিমুক্ত নোয়াপাড়া ইউনিয়ন গড়তে চক্ষু চিকিৎসা প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জালাল উদ্দিন লস্কর, স্টাফ রিপোর্টার:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নকে পর্যায়ক্রমে শতভাগ ছানিমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাসেবা, রোগী শনাক্তকরণ, রেজিস্ট্রেশন এবং কর্নিয়া স্থাপনের জন্য উপযুক্ত রোগীদের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে স্থানান্তর বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোয়াপাড়া মডেল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের অর্থায়নে এবং মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের সার্বিক সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইমরুল হাসান জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কবির হোসেন।

কর্মশালার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট ম্যানেজার রাজিয়া সুলতানা। মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের পক্ষে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন অপ্টোমেট্রিস্ট আব্দুল বাতেন তালুকদার।

কর্মশালায় নোয়াপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের কর্মীসহ মোট ২৬ জন অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন চক্ষু রোগ শনাক্তকরণ, রোগীদের রেজিস্ট্রেশন, প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং ছানি অপারেশন ও কর্নিয়া স্থাপনের জন্য উপযুক্ত রোগীদের সংশ্লিষ্ট চক্ষু হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং দৃষ্টিজনিত সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আওতায় আনার মাধ্যমে নোয়াপাড়া ইউনিয়নকে পর্যায়ক্রমে শতভাগ ছানিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তারা আরও জানান, স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে চক্ষু রোগী শনাক্ত করা গেলে অনেক রোগী দ্রুত চিকিৎসাসেবার আওতায় আসবেন। এর ফলে দৃষ্টিজনিত জটিলতা কমানোর পাশাপাশি ছানি আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে সনদ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সেট বিতরণ করা হয়।