ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা Logo ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি শফিক রেহমান, সম্পাদক মাহমুদুর রহমান Logo এনএসআইয়ের সাবেক দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা Logo সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের Logo ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে পুষ্টিকর খাবার, ঝরে পড়া ঠেকাতে বড় উদ্যোগ Logo সীমান্তে চোরাচালান ও হত্যা বন্ধে বিজিবিকে আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo গেন্ডারিয়ায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নারীসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ Logo মার্কিন হামলার মধ্যেই ইরানে ৩.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, হতাহত নেই Logo সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে গিয়ে ছররা গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর নিহত Logo বাহুবলে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী গ্রেড-১-এর জন্য মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রজ্ঞাপন জারির চূড়ান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে আরও ৩৫ শতাংশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাই থেকে কার্যকর করার পাশাপাশি একই অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

error:

নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

আপডেট সময় ০৯:৩৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়।

নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী গ্রেড-১-এর জন্য মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও বাজেট ব্যবস্থাপনার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রজ্ঞাপন জারির চূড়ান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল। সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ কার্যকর করার প্রস্তাব রয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে আরও ৩৫ শতাংশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাই থেকে কার্যকর করার পাশাপাশি একই অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়নের সুপারিশ রয়েছে।

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য রাখার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা কীভাবে কার্যকর হবে, তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।